গাইবান্ধার চরাঞ্চলে জানমাল রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন

আপডেট : ১৬ জুন ২০১৩, ২০:৫৭
গাইবান্ধার বহ্মপুত্র-যমুনা নদীর চরাঞ্চলে ডাকাতের কবল থেকে গরু-ছাগল ও জানমাল রক্ষার দাবিতে সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া গ্রামে এলাকাবাসী শনিবার মানববন্ধন ও সমাবেশ করে। হলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে হলদিয়া-সাঘাটা সড়কে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধনে এলাকার সহস্রাধিক কৃষাণ-কৃষাণী অংশ নেয়। পরে হলদিয়া ঈদগাহ্ মাঠে এক সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, ইউপি সচিব রফিকুল ইসলাম খোকন, ইউপি সদস্য আমিনুল ইসলাম, আব্দুল মজিদ, আসাদুজ্জামান পিপুল প্রমুখ। বক্তারা বলেন, যমুনা নদীর ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত এই ইউনিয়নের প্রায় ৯৫ ভাগ মানুষ বিভিন্ন এনজিও’র সাহায্যের উপর নির্ভরশীল। এনজিওগুলোর দেয়া গরু-ছাগল তাদের একমাত্র সম্পদ। কিন্তু যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে উপজেলার চরাঞ্চলগুলোতে প্রতিবছর আশংকাজনক হারে ডাকাতি বৃদ্ধি পায়। বক্তারা আরো বলেন, মূল-ভূখণ্ডে পুলিশের নজরদারি থাকলেও নৌপথে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর ব্যবস্থা না থাকায় দুর্বৃত্তদের এখন পোয়াবারো। আশ-পাশের জেলা ও উপজেলাগুলো থেকে সংঘবদ্ধ ডাকাতদল বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে এখানে এসে চরাঞ্চলের বিভিন্ন গ্রামে ঢুকে কৃষকের একমাত্র সম্বল গরু-ছাগল ও অন্যান্য সম্পদ লুট করে নিয়ে যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রেই ওইসব এলাকার আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রশ্রয়ে এসব ঘটছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। চলতি বছর গত ৭ দিনের ব্যবধানে ওই এলাকা (হলদিয়া) থেকে কমপক্ষে অর্ধশত গরু-ছাগল ডাকাতরা লুট করে নিয়ে গেছে। ফলে মানুষজন তাদের জানমাল নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। সাঘাটা থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানায়, গত কয়েকদিন পূর্বে এক রাতে ১৫টি গরু চুরি হয়েছে। ইতোমধ্যে ২টি গরু পার্শ্ববর্তী ফুলছড়ি উপজেলার খঞ্চার পাড়া থেকে স্থানীয়রা উদ্ধার করেছে। আরো চোরাই গরু উদ্ধারের জন্য পুলিশ জোর চেষ্টা করছে।