১৫ জুন রাতে ভোট গণনা শেষে রাজশাহী আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও রাসিক নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার সুভাষ চন্দ সরকার বিজয়ী হিসেবে মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের নাম ঘোষণা করেন। এসময় সেখানে উপস্থিত নতুন নগর পিতা বুলবুল তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ঘোষিত ফলাফলকে স্বাগত জানান। তিনি নগরবাসীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, ‘আমি নিবেদিতভাবে নগরীর উন্নয়নে কাজ করে যাব। দলমত নির্বিশেষে সাবেক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনসহ সকলকে নিয়ে নগরীর উন্নয়নে ঐক্যের ভিত্তিতে কাজ করবো। আমি নগর পিতা হতে চাই না, নগরবাসীর বিশ্বস্ত সেবক হতে চাই।’ এজন্য তিনি নগরীর সর্বস্তরের মানুষের আন্তরিক সহযোগিতাও কামনা করেন। এছাড়া তিনি দল, জোট, নগরবাসী, ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার কর্মী ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
দুই প্রার্থীর সমর্থকদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া
রাসিক নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফলের ঘোষণা শুরুর পর শনিবার রাত ৯টার দিকে নগরীর লক্ষ্মীপুরে নিয়ন্ত্রণ কক্ষের বাইরে মেয়র প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন এবং মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এসময় বিএনপি ও শিবির সমর্থকরা পালিয়ে যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই র্যাব ও বিপুলসংখ্যক পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বেধড়ক লাঠিচার্জ করে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের ছত্রভঙ্গ করে করে দেয়। এতে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীসহ ২৫ জন আহত হন বলে জানা যায়। এসময় লক্ষ্মীপুর আওয়ামী লীগ কার্যালয় থেকে বেরিয়ে এসে স্থানীয় এমপি ও ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা র্যাব ও পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। এসময় শাহরিয়ার আলম এমপি উপস্থিত ছিলেন। রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার সরদার তমিজ উদ্দিনকে এমপি বাদশা বলেন, ‘বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের ক্যাডাররা এই এলাকা থেকে চলে গেলে আমাদের লোকজনও সরে যাবে। আমরা নির্বাচন কমিশনের ফলাফলের অপেক্ষায় আছি।’ এছাড়া ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের ষষ্ঠিতলা, বনপুকুর ও কাদিরগঞ্জ এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
