১৪ বছর পেরিয়ে গেলেও এমপিওভুক্ত হয়নি রায়পুরার মহিলা কলেজ রহিমা হক চেতনা বিকাশ। ফলে মানবেতর জিবন-যাপন করছেন শিক্ষক-শিক্ষিকাসহ ২৫ জন কর্মচারী। প্রয়াত দেশ বরেণ্য কৃষক নেতা ফজলুল হক খোন্দকার-এর সার্বিক চেষ্টায় কলেজটির যাত্রা শুরু হয় ১৯৯৯ সালে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে। ২০০০ সালে সরকারি অনুমতিপত্র পাবার পর বর্তমান শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী তত্কালীন সময়ে সংসদ সদস্য থাকাবস্থায় এমপিওভুক্ত করেছিলেন। কিন্তু তখন আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ সময় হওয়ায় এবং পরবর্তীতে জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর অদৃশ্য কারণে কলেজটি এমপিওভুক্তি হয়নি। দেশের বৃহত্তম উপজেলা রায়পুরার ২৪টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার মধ্যে একমাত্র মহিলা কলেজ হিসেবে গড়ে উঠেছে এটি। যেখানে প্রায় ৬ লক্ষাধিক লোকের বসবাস। নারী শিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যে বর্তমানে অত্র কলেজে প্রায় তিন শতাধিক ছাত্রী পড়াশোনা করে গ্রামীণ এলাকাকে সুশিক্ষিত করে তুলছে। বর্তমান সরকারের সময়েও অত্র কলেজটি নরসিংদী-৫, রায়পুরার এমপি, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু একাধিকবার ডিও লেটার দেয়ার পরও এমপিওভুক্তির তালিকায় প্রতিষ্ঠানটির নাম না আসায় এলাকার আপামর জনগণ, শিক্ষার্থীসহ শিক্ষক-কর্মচারীদের রোষাণলে পড়েছেন কলেজ কর্তৃপক্ষ। এ ব্যাপারে অধ্যক্ষ মোঃ শফিউল আজম কাঞ্চন বলেন, কলেজটি এমপিওভুক্ত হলে এ বৃহত্ উপজেলায় নারী শিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।
