টিকফা চুক্তিতে দেশ রাতারাতি লাভবান হবে না

আপডেট : ১৮ জুন ২০১৩, ২২:৫১
অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব ও এনবিআর চেয়ারম্যান মো. গোলাম হোসেন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে টিকফা চুক্তি হলে বাংলাদেশ রাতারাতি লাভবান হবে না। চুক্তির পরদিন থেকেই যুক্তরাষ্ট্র তাদের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধাসহ নানা ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেবে এমন ধারণা ঠিক নয়। তিনি বলেন, টিকফা চুক্তি হলো যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনার একটি প্ল্যাটফরম। কোনো উন্নত দেশই দরিদ্র দেশগুলোর সঙ্গে কথা বলতে চায় না। অনেক দেন-দরবার করার পর একবার বসার সুযোগ পাওয়া যায়। তবে টিকফা চুক্তির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের মতো বড় একটি দেশের সাথে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্র প্রস্তুত হলো। এখন থেকে কোনো দেন-দরবার ছাড়াই বছরে অন্তত একবার যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনার টেবিলে বসার সুযোগ পাওয়া যাবে। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বিষয়ে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সাথে দরকষাকষি করতে পারবে। মঙ্গলবার নগরীর একটি হোটেলে চট্টগ্রাম কাস্টমস আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কাস্টমসে পণ্য শুল্কায়নের নতুন পদ্ধতি নিয়ে স্থানীয় স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে মতবিনিময়ের জন্য এ সেমিনার আয়োজন করা হয়। অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সম্পর্কে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, এ পদ্ধতি দ্রুত পণ্য খালাসের মাধ্যমে ব্যবসায়ের খরচ কমিয়ে আনতে সহায়তা করবে। পাশাপাশি কাস্টমসের প্রক্রিয়াগত স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে। সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বন্দরের পরিচালক (প্রশাসন ও পরিকল্পনা) নজরুল ইসলাম ও চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মাহবুবুল আলম। এনবিআর সদস্য (কাস্টমস, রফতানি, বন্ড ও আইটি) মো. নাসির উদ্দিন সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন।