এসএসসি বা এইচএসসি পাশের পর কোন বিষয় বা পেশা নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ সময়ে বেছে নিতে হবে এমন একটি বিষয়, যেখানে শিক্ষাব্যয় কম এবং পড়াশুনা শেষে বেকার বসে থাকতে হবে না। তেমনি একটি সম্ভাবনাময় পেশা মেডিকেল টেকনোলজি। এই পেশায় দেশের পাশাপাশি দেশের বাইরেও ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
আয়-রোজগার :মেডিকেল টেকনোলজির যেকোনো বিষয়ে তিন বা চার বছরের ডিপ্লোমা শেষে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা বেতনের চাকরি পাওয়া যায়। অভিজ্ঞতা বৃদ্ধির সাথে সাথে তা ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
পড়াশোনা :মেডিকেল টেকনোলজিস্ট হতে চাইলে এসএসসি উত্তীর্ণ হওয়ার পর পছন্দের যেকোনো বিষয়ে ভর্তি হতে পারেন। কারিগরি শিক্ষাবোর্ড অনুমোদিত বিষয়গুলো হলো ল্যাবরেটরি মেডিসিন (প্যাথলজি), ডেন্টাল, ফার্মেসি, নার্সিং, ফিজিওথেরাপি, রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং ও প্যারামেডিকেল। তিন বছর মেয়াদী কোর্স শেষে ১৮-২০ বছর বয়সেই মেডিকেল টেকনোলজিস্ট হিসেবে ক্যারিয়ার গড়া যায়। পরে বিএসসি/এমএসসিও করার সুযোগ আছে। ০১৭১৪৩০১৯২৫, ০১৯১৭১৬৩৩০৭ নম্বরে ফোন করে এই বিষয়ে পড়ালেখা সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য জেনে নিতে পারবেন।
যোগ্যতা :ন্যূনতম জিপিএ ২.৫সহ যেকোনো বিভাগ থেকে এসএসসি উত্তীর্ণ হতে হবে। কর্মদক্ষতা বাড়াতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ইন্টার্নশিপের সুযোগ আছে।
কোথায় পড়বেন?
মেডিকেল টেকনোলজি বিষয়ে কারিগরি শিক্ষাবোর্ড অনুমোদিত প্রথম প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব মেডিকেল সাইন্স (বিমস)। এখানকার কোর্সগুলো হচ্ছে ডিপ্লোমা ইন ল্যাবরেটরি মেডিসিন (প্যাথলজি), ফামেসীি, রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং, ডেন্টাল, ফিজিওথেরাপি, পেশেন্ট কেয়ার (নার্সিং) ও প্যারামেডিকেল। বিমস-এর ওয়েবসাইটে (www.bims-bd.com) ভর্তি ফরম যাওয়া যাবে। বিমস-এ রয়েছে অভিজ্ঞ শিক্ষকমণ্ডলী, সমৃদ্ধ লাইব্রেরি ও ল্যাব। প্রতিষ্ঠানটি গত বছর যুক্তরাজ্যের ‘বিজনেস ইনিশিয়েটিভ ডাইভারশান’ কর্তৃক ইন্টন্যাশনাল কোয়ালিটি ক্রাউন অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হয়েছে।
যোগাযোগ :বিমস, এন/২৩, নূরজাহান রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭।
