উপজেলার চেরাগপুর ইউনিয়নের শালবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঝুঁকিপূর্ণ ২টি ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণার ৫ বছর পার হলেও এখন পর্যন্ত ভবনগুলো ভাঙ্গার উদ্যোগ নেয়া হয়নি। ভবন ২টি ওই স্থান থেকে ভেঙ্গে না নেয়ায় দুর্ঘটনার আশংকায় শংকিত শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসী। অনেক আগেই ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিত্যক্ত ভবনগুলোর ছাদ ও দেয়ালের কিছু অংশ ভেঙ্গে পড়েছে। যে কোন সময় ভবন ২টি ধসে ঘটতে পারে ভয়াবহ দুর্ঘটনা।
ভয়াবহ দুর্ঘটনার আশংকায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ খোলা আকাশের নিচে শিশুদের পাঠদান করাচ্ছেন। আসন্ন বর্ষা মৌসুমে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাঠদান কোথায় করানো হবে এ নিয়ে কর্তৃপক্ষ এবং অভিভাবকমহল উদ্বিগ্ন। জানা গেছে, শালবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এর ১৯৬১ সালে একটি ভবন নির্মাণ করা হয়। ওই ভবনটি গত ২০০৯ সালে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন স্থানীয় এলজিইডি প্রকৌশলী।
অপরদিকে ১৯৯৪ সালে ওই বিদ্যালয়ের নির্মিত অন্য ভবনটিতেও ফাটল দেখা দেয়াসহ পিছন দিকে হেলে পড়ায় গত ২৯ এপ্রিল বিদ্যালয়ের কক্ষে পাঠদান বন্ধ করে দেয় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কর্তৃপক্ষ ওই ভবনে পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়াসহ ভবন ভেঙে ফেলার জন্য শিক্ষা অধিদপ্তর এবং স্থানীয় শিক্ষা অফিস ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর আবেদন করেন।
ওই আবেদনের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে স্থানীয় এলজিইডি প্রকৌশলী পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ওই ভবনটিও পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন। বর্তমানে ওই বিদ্যালয়ের ঝুঁকিপূর্ণ ২টি ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণার পর থেকে কক্ষ সংকটে পড়েছে বিদ্যালয়টি। ফলে ওই বিদ্যালয়ে প্রতিদিন খোলা আকাশের নিচে চলছে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া।
