দুই পক্ষের মধ্যে অন্তদ্বন্ধের কারনে ভাওড়া ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এলাকার প্রভাবশালী দুই খান পরিবারের অন্তদ্বন্বে মির্জাপুর উপজেলার নব গঠিত ভাওড়া ইউনিয়নের ভাওড়া এবং ভাওড়া পাইখার গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটেছে। মঙ্গলবার মির্জাপুর উপজেলার ভাওড়া ও ভাওড়া পাইখার গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে ইউনিয়ন পরিষদের ভবন নির্মানের জন্য খান পরিবারের দুই পক্ষই আলাদা আলাদা স্থানে জমি বরাদ্ধ দিয়ে সাইন বোর্ড ঝুঁলিয়ে রেখেছে। মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসন এবং টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ ও জেলা প্রশাসকও আইনি জটিলতার কারনে সঠিক কোন সিদ্ধান্ত দিতে পারছে না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এক স্থানের জমিদাতা চেয়ারম্যান সাহিদুর রহমান খান সাইদ বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের জন্য তারা চার ভাই মিলে ২৫ শতাংশ জমি দানমূলে রেজিস্ট্রি করে দিয়েছেন। একই দাবী করেন মর্তুজা আলী খান ও তার ভাই লিয়াকত আলী খান। মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরোজা আক্তার চৌধুরী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন,ভাওড়া ইউনিয়ন পরিষদের জমি নিয়ে জটিলতা দীর্ঘ দিনের । আমিও তদন্ত করেছি এবং আমার আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ৫ জুন টাঙ্গাইল অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(ভ্থমি) মোঃ লুত্ফর রহমান স্যার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। জনগনের মতামতের উপর ভিত্তি করে অচিরেই একটা সমাধান হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। অবিলম্বে সমাধান না হলে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের সম্ভাবনা রয়েছে বলে এলাকাবাসী আশঙ্কা করছে।
