ঘূর্ণিঝড় সহনীয় দেয়ালবিহীন ঘর উপকারে আসছে না

আপডেট : ১৯ জুন ২০১৩, ২১:২৭
সিডর ও আইলার মত বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগপরবর্তী উপকূলীয় মানুষকে পুনর্বাসনের জন্য নির্মাণ করা হয় ঘূর্ণিঝড় সহনীয় ঘর । কিন্তু গলাচিপা-রাঙ্গাবালীর ঘূর্ণিঝড় সহনীয় দেয়ালবিহীন ঘর কোন কাজেই আসছে না। ঘূর্ণিঝড়ের সময় এ সব ঘর মানুষের আশ্রয় নেয়ার জন্য তৈরি করা হলেও অধিকাংশ ঘর পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে । উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা গেছে, আইলায় ক্ষতিগ্রস্তদর জন্য জলবায়ু ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের আওতায় গলাচিপা ও রাঙ্গাবালী উপজেলায় ঘূর্ণিঝড় সহনীয় ১০০টি ঘর নির্মাণ করা হয়। আইলাবিধ্বস্ত এলাকার ঘূর্ণিঝড়-সহনীয় ঘর নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ২০১০-১১ অর্থবছরে ১ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে এ উপজেলায় ৫০টি ঘর নির্মাণ করা হয়। ১০ ফুট প্রস্থ ও ১৫ ফুট দৈর্ঘ্যের ঘরে আরসিসি পিলারের ওপর ছাদ ও মেঝে পাকা করে নির্মাণের জন্য ব্যয় হয় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। বরাদ্দ পাওয়া একাধিক ব্যক্তি জানান, ঘরগুলো এতই ছোট এবং দেয়াল না থাকায় বসবাস করা যাচ্ছে না। এসব ঘরের ক্রটিপূর্ণ ডিজাইনের কারণে বসবাসের অযোগ্য। ফলে এসব ঘর নির্মাণের উদ্দেশ্যই ভেস্তে গেছে। চর মোন্তাজ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের একটি ঘর বরাদ্দপ্রাপ্ত মজনু শরীফের বাড়ি গিয়ে দেখা গেছে, তার বাড়িতে সরকারিভাবে নির্মাণ করা হয়েছে একটি দেয়ালবিহীন ঘূর্ণিঝড় সহনীয় ঘর। প্রায় একবছর আগে এ ঘর নির্মাণ করা হয়। মজনু শরীফ অভিযোগ করেন, দৈর্ঘ্যে ১৫ এবং প্রস্থে ১০ ফুটের অপ্রশস্ত এ ঘরে তার পরিবার নিয়ে বসবাস করা সম্ভব নয়। তাই তিনি তার ছোট কুঁড়েঘরেই পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন। মহাসেনের সময় আশ্রয় নিয়েছেন সাইক্লোন সেন্টারে।