ঝিনাইদহে ডাক্তারের ১০০ পদ শূন্য

আপডেট : ১৯ জুন ২০১৩, ২১:২৮
ঝিনাইদহ জেলায় একশ’ ডাক্তারের পদ শূন্য। ডাক্তারের অভাবে সরকারি স্বাস্থ্য পরিসেবার বেহাল দশা চলছে। মানুষ সামান্য চিকিত্সা সেবা পেতে প্রতিদিন সদর হাসপাতাল ও উপজেলা হাসপাতালগুলোতে ভিড় করে। কিন্তু তারা কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছে না। জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা যায়, ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল একশ’ বেডে উন্নীত হলেও ৫০ বেডের জনবল দিয়ে চালানো হচ্ছে। একশ’ বেডের এ হাসপাতালে গড়ে প্রতিদিন দেড়শ’র উপর রোগি ভর্তি থাকে। ফ্লোর বারান্দা সর্বত্র রোগি গিজগিজ করে। প্রতিদিন এ হাসপাতালে আউটডোরে ৭-৮শ’ রোগি সামান্য চিকিত্সা সেবা পেতে ভিড় করে। এ হাসপাতাল আড়াইশ’ বেডে উন্নীত করা এখন সময়ের দাবি। সদর উপজেলাতে ইউনিয়ন পর্যায়ে ২০ জন ডাক্তারের পদ আছে। এরমধ্যে ১৮টি পদই শূন্য রয়েছে। শৈলকুপা উপজেলা হাসপাতাল ও ইউনিয়ন পর্যায় মিলিয়ে ২৪ জন ডাক্তারের পদ আছে। সবমিলিয়ে ৮ জন ডাক্তার আছেন। ১৬ জন ডাক্তারের পদ শূন্য রয়েছে। কালীগঞ্জ উপজেলা হাসপাতাল ও ইউনিয়ন মিলিয়ে ৩১ জন ডাক্তারের মধ্যে ১৪ জন ডাক্তারের পদ শূন্য রয়েছে। হরিণাকুন্ডু উপজেলায় ২৯ জন ডাক্তারের পদের মধ্যে ২১টি পদ শূন্য রয়েছে। কোটচাঁদপুরে ২৫ জন ডাক্তারের মধ্যে ১৬ জন ডাক্তারের পদ শূন্য রয়েছে। মহেশপুর উপজেলায় ৩৩ জন ডাক্তারের মধ্যে ২৬ জন ডাক্তারের পদ শূন্য আছে। উপজেলা হাসপাতালগুলোতে গড়ে প্রতিদিন আড়াই থেকে ৩শ’ রোগি আউটডোরে চিকিত্সা পেতে ভিড় করে থাকে। উপজেলা হাসপাতালগুলো ৩১ বেড থেকে ৫০ বেডে উন্নীত করা হয়েছে। কিন্তু বর্ধিত লোকবল নিয়োগ হয়নি। ফলে গ্রামের মানুষ সুফল পাচ্ছে না। সিভিল সার্জন ডা. নাসরিন সুলতানা জানান, ডাক্তারের শূন্য পদে নিয়োগের জন্য প্রায়ই চিঠি পাঠানো হয়। কিন্তু ডাক্তার পোস্টিং হচ্ছে না।