পথ ভোলা পথিক ওরা। খুঁজে ফিরছে স্বজনদের। আশ্রয় জুটেছে রাজধানীর তেজগাঁও সংলগ্ন ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে। পুলিশ ওদের কুড়িয়ে পেয়েছে নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে। বৃদ্ধাসহ ওরা পাঁচজন। ফাতেমা আক্তার (১১), কামরুন্নাহার (৮), নূরন্নবী, রিয়াজ (৫) জায়েদা বেগম (৭০)।
ফাতেমা জানায়, সে রাজধানীর একটি বাসায় গৃহশ্রমিকের কাজ করতো। ছোট থাকতে তার বাবা মারা যায়। গৃহকর্মীর কাজ করা অবস্থায় নির্যাতনের ফলে সে বাসা থেকে পালিয়ে আসে। তাকে আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) মাধ্যমে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রাখা হয়। তার ঠিকানা বার্মার (মিয়ানমার) নীলা বাজারের দরিয়াখাঁচা এলাকায়। সে তার পিতার নাম বলতে পারে না। তাকে ভাটারা থানা এলাকায় পাওয়া যায়।
কামরুন্নাহার জানায়, সেও একটি বাসায় কাজ করতো। ঐ বাসার কাউকে কিছু না বলে বাসা থেকে বের হয়। ঢাকায় তার কোনো আত্মীয়-স্বজন নেই। তার পিতার নাম আব্দুল জব্বার। গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার ঝাইটা গ্রামে। তাকে পাওয়া যায় রাজারবাগের কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের সামনে।
নূরন্নবী জানায়, সে তার মামার সাথে ঢাকার রায়ের বাজার এলাকায় বেড়াতে এসে তার দাদীর সাথে উত্তর বাড্ডার বাসায় যায়। হঠাত্ দাদীকে ফুপুর বাসায় না পেয়ে খুঁজতে বের হলে পথ হারিয়ে ফেলে। তার পিতার নাম সেলিম, গ্রামের বাড়ি বরিশালে।
রিয়াজ জানায়, ভোলা থেকে সে ঢাকায় তার খালার বাসায় বেড়াতে এসে পথ ভুলে হারিয়ে যায়। তার পিতার নাম শামসুদ্দীন, গ্রামের বাড়ি ভোলায়।
বৃদ্ধা জায়েদা বেগমকে কামরাঙ্গীরচর এলাকার বড়গ্রাম আল-আকসা মসজিদের সামনে পাওয়া যায়। ঢাকায় তার কোনো আত্মীয়-স্বজন নেই। তার স্বামীর নাম মৃত. আশরাফ আলী, গ্রামের বাড়ি শরিয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার কোঠাপাড়ায়। তাদের পিতা-মাতা/অভিভাবক/আত্মীয়-স্বজনকে সহকারী পুলিশ কমিশনার, ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার (তেজগাঁও থানা সংলগ্ন), তেজগাঁও, ঢাকা ঠিকানায় অথবা ফোন:৯৯৯-২৬৩৪, ৯১১০৮৮৫, মোবাইল:০১৭১৩৩৯৮৩৬০, ০১৭৪৫৭৭৪৪৮৬-৭ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।
