ক ন ফে ডা রে শ ন্স কা প

ব্রাজিল-ইতালির স্পেন এড়ানোর লড়াই আজ

আপডেট : ২১ জুন ২০১৩, ২০:৪৯
এমনিতে আজকের ব্রাজিল ও ইতালি ম্যাচের আর তেমন কোনো গুরুত্ব নেই। কিন্তু কনফেডারেশন্স কাপে ‘এ’ গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে এই দু’দল আজ মূলত সেমিফাইনালে স্পেনকে এড়ানোর জন্য পরস্পরের মুখোমুখি হবে! এই গ্রুপে যে দল চ্যাম্পিয়ন হবে তারা খেলবে উরুগুয়ের বিপক্ষে এবং রানার্সআপ দল খেলবে স্পেনের বিপক্ষে। ফলে আজ শনিবার অ্যারেনা ফন্টে নোভা স্টেডিয়ামে দু’দলেরই লক্ষ্য থাকবে গ্রুপ সেরা হয়ে সেমিফাইনালে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেনের হাত এড়িয়ে যাওয়া! অন্যদিকে একই গ্রুপের আরেক ম্যাচে জাপান ও মেক্সিকো আজ খুঁজে ফিরবে সান্ত্বনার জয়। কারণ গ্রুপ পর্বের দুটি খেলাতেই পরাজয়ের তেতো স্বাদ নিয়ে মাঠ ছেড়েছে তারা। বিশ্বকাপ ২০১৪ আসরে যাওয়ার আনন্দ নিয়ে জাপান কনফেডারেশন্স কাপ খেলতে এসেছিল কিন্তু হতাশ হতে হয়েছে তাদের। অলিম্পিক স্বর্ণ জয়ী মেক্সিকোও একটি জয় বা পয়েন্টের সন্ধান পায়নি। টানা দুইবারের কনফেডারেশন্স কাপ জয়ী ব্রাজিল এবং গত ইউরোর রার্নাসআপ ইতালি সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে এক ম্যাচ হাতে রেখেই। নেইমারের আলোয় আলোকিত ব্রাজিল মেক্সিকোকে ২-০ গোলে এবং ইতালি প্রচন্ড লড়াই করে ৪-৩ ব্যবধানে জাপানকে হারিয়ে শেষ চার নিশ্চিত করে। এই গ্রুপে ব্রাজিল ও ইতালির আজকের আগ পর্যন্ত অর্জন সমান—তিন পয়েন্ট। কিন্তু গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে পয়েন্ট টেবিলের এক নম্বরে রয়েছে ব্রাজিল। ফলে সেমিফাইনালে ভিসেন্তে ডেল বস্ক বাহিনীকে এড়াতে হলে আজ ইতালিকে জিততেই হবে। ব্রাজিল কোচ লুইজ ফিলিপ স্কলারি ইঙ্গিত দিয়েছেন সম্ভবত অপরিবর্তিত দল নামাবেন তিনি ইতালিয়ানদের বিপক্ষে। এদিকে ইতালির কোচ সিজার প্রাণদেল্লি খেলোয়াড়দের ফিটনেস নিয়ে চিন্তি রয়েছেন। জাপানের মোকাবেলা করার আগে ইতালি মাত্র দুই দিন সময় পেয়েছে। জাপানের বিপক্ষে জয় পেতে ইতালির ঘাম ঝরেছে। প্রাণদেল্লি বললেন তার প্রধান চিন্তার কারণ খেলোয়াড়রা চাপ কাটিয়ে উঠতে পারবে কিনা এই নিয়ে। তিনি বলেন, ‘এখন আমাদের মূল ভাবনা আসলে, কতোজন খেলোয়াড়কে পুরোপুরি সুস্থ হিসেবে পাচ্ছি এ ম্যাচে। ব্রাজিলের সাথে এই ম্যাচটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ম্যাচটাকে হালকাভাবে নেয়ার সুযোগ নেই। সমস্যা একটাই, খেলোয়াড়দের ফিটনেস ঠিক রাখা। আমরা এই ম্যাচে আগের মতোই দৃঢ়তা ও পুরো ফিটনেস নিয়ে নামতে চাই।’ নিজেদের নিয়ে এই দুশ্চিন্তার বাইরে ইতালির বড় দুশ্চিন্তা হবেন নেইমার এবং জো; দুইজনই গ্রুপ পর্বের দুটি খেলাতেই গোলের দেখা পেয়েছেন। ফলে ইতালিকে এই দুইজনকে নিয়ে ভাবতে হবে। ফুটবলের ইতিহাসে ব্রাজিল ও ইতালির কিছু স্মরণীয় লড়াই রয়েছে। মেক্সিকোতে ১৯৭০ সালে ব্রাজিল ৪-১ গোলে ইতালিকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতেছিল। ১৯৮২ সালে দ্বিতীয় রাউন্ডে ইতালি ৩-২ ব্যবধানে হারিয়েছিল ব্রাজিলকে। ইতালির বিপক্ষে সর্বশেষ ছয়বারের মোকাবেলায় ব্রাজিল তিনটি জয় ও তিনটি ড্র করে। দক্ষিণ আফ্রিকায় ২০০৯ সালে কনফেডারেশন্স কাপে একই গ্রুপে ব্রাজিল ৩-০ গোলে হারিয়েছিল ইতালিকে। সর্বশেষ মোকাবেলাটি হয়েছে জেনেভায় চলতি বছরের মার্চে; প্রীতি ম্যাচটিতে ইতালি ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়েও ২-২ গোলে ড্র করে ড্যানিয়েল ডি রসি এবং মারি বালোতেল্লির নৈপুণ্যে। ইতালির জন্য ভালো খবর হল, ভালো ফর্মে আছেন বালোতেল্লি; এই কনফেডারেশন্স কাপে ইতোমধ্যে দুটি গোল করেছেন। বালোতেল্লিকে আটকানোর দায়িত্ব পড়বে থিয়াগো সিলভার ওপরে। তিন বছর খেলে এসি মিলান থেকে পিএসজিতে চলে যাওয়া সিলভা বলছেন, শুধু বালোতেল্লি নয়, সব ইতালিয়ান সম্পর্কেই তার ভালো একটা ধারণা আছে, ‘আমি ইতালিয়ান খেলোয়াড়দের জানি। আমি বেশ কয়েকজনের সাথে এবং বিপক্ষে খেলেছি। তাই তাদের মান সম্পর্কে আমার ধারণা রয়েছে।’ গ্রুপ এ ইতালি-ব্রাজিল জাপান-মেক্সিকো