সু চির প্রেসিডেন্ট হওয়ার পথে বাধা সংবিধান

আপডেট : ২১ জুন ২০১৩, ২১:০২
মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হওয়ার স্বপ্ন পূরণের পথে গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সুচির প্রধান বাধা দেশটির বর্তমান সংবিধান। মিয়ানমারের সংবিধা অনুযায়ী কোনো বিদেশিকে বিয়ে করলে বা সন্তানদের কেউ অন্য দেশের নাগরিক হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি দেশের প্রেসিডেন্ট হতে পারেন না। সুচির স্বামী মাইকল আয়ারিস একজন ব্রিটিশ। এই দম্পতির দুই সন্তানও ব্রিটিশ নাগরিক। সেক্ষেত্রে ২০১৫ সালে সাধারণ নির্বাচনের পর প্রেসিডেন্ট হতে চাইলে সু চি কে এ বাধা উত্রাতে হবে। আর তা করতে হলে সামরিক কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রিত পার্লামেন্টে সংবিধানের সংশোধনী আনার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালাতে হবে তাকে। সংবিধানের যে কোনো সংশোধনীর জন্যই পার্লামেন্টে ৭৫ শতাংশ ভোট প্রয়োজন পড়বে। কিন্তু পার্লামেন্টে এ সমর্থন পাওয়া সু চির জন্য সহজ হবে না। তাছাড়া তিনি যদি পার্লামেন্টে প্রয়োজনীয় সমর্থন পেয়েও যান তারপরও প্রেসিডেন্ট হওয়ার তার জন্য সহজ হবে না। কারণ তখন তাকে দেশের বৌদ্ধ মুসলিম দাঙ্গার ঘটনায় তার অবস্থানের কারণে ভোটারদের ভোট জয়ের পরীক্ষার মুখে পড়তে হবে। মিয়ানমারের সংখ্যালঘু মুসলিমদের বিরুদ্ধে সংঘটিত সহিংসতার বিষয়ে মেন প্রতিক্রিয়া প্রকাশ না করায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপকভাবে সমালোচিত হয়েছেন সুচি। রাজধানী নিপিধোতে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সম্মেলনে ৬ জুন সাংবাদিকদের সু চি বলেছিলেন, আমি প্রেসিডেন্ট হতে চাই। অকপটেই তা বলছি। কিন্তু প্রেসিডেন্ট হতে চাইলে সু চিকে টক্কর দিতে হবে আরো দুই সাবেক জেনারেলের সঙ্গে। এদের একজন হচ্ছেন শ মান। মিযানমারের পালামেন্টের নিম্নকক্ষের প্রভাবশালী স্পিকার তিনি। আর অপরজন হচ্ছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট থেইস সেইন। তিনি নিশ্চিভাবেই আরো এক মেয়াদে ক্ষমতায় থাকতে চাইবেন।