আতঙ্কে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাড়ে চারশ’ অস্থায়ী কর্মী

আপডেট : ২১ জুন ২০১৩, ২২:৩৬
সিলেট সিটি কর্পোরেশনে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া প্রায় সাড়ে চারশ কর্মকর্তা-কর্মচারী আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। ১/১১-এর সময় এসব কর্মচারীকে চাকরিচ্যুতির আদেশ দিয়েছিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। তখন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হন এবং আদালতের আদেশে তারা চাকরিতে বহাল আছেন। কিন্তু নবনির্বাচিত মেয়র দায়িত্বভার গ্রহণ করে এ বিষয়ে কি করবেন সেটি ভেবে তারা এখন অস্থির হয়ে পড়েছেন। গতকাল সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজ জানান, এই অস্থায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিষয়ে আদালতের নির্দেশনা রয়েছে এবং স্থানীয় খাত থেকেই এদের ব্যয় নির্বাহ করা হচ্ছে। সে কারণে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় জানিয়ে দিয়েছে সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচিত পরিষদ এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। জানা যায়, পদত্যাগের কয়েক মাস আগে মেয়র বদরউদ্দিন কামরান স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে চিঠি লিখে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্তদের চাকরি স্থায়ী করার অনুরোধ জানান। এরপর ১৫ জুনের নির্বাচনে অংশ নিয়ে হেরে যান তিনি। তার পরাজয়ের পর এসব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরি স্থায়ী হবে না তাদের ছাঁটাই করা হবে—এ নিয়ে নগরভবনে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। ২০০২ সালে সিলেট পৌরসভা সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত হলেও পৌরসভার জনবল দিয়েই সিটি কর্পোরেশনের কাজ চলতে থাকে। কাজের গতি বৃদ্ধি ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে সাবেক মেয়র কামরান বিভিন্ন সময় অস্থায়ীভাবে এসব কর্মকর্তা কর্মচারীকে নিয়োগ দেন। ২০০৭ সালের ডিসেম্বর মাসের প্রথম দিকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় অস্থায়ীভাবে নিয়োগ পাওয়া এ সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরিচ্যুত করার পর তা নিয়ে আইনি লড়াই শুরু হয়। সর্বশেষ চলতি বছর শুরুর দিকে উচ্চ আদালত এসব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্থায়ীভাবে নিয়োগ দেয়ার জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেন।