প্রায় ৬০ ফুট ব্রিজের অভাবে ঝুঁকি নিয়ে একটি বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হন মল্লিকপুর ইউনিয়ন ও পৌরসভার শত শত মানুষ। উপজেলার মল্লিকপুর ইউনিয়ন ও লোহাগড়া পৌরসভার মধ্যদিয়ে বয়ে গেছে, নবগঙ্গা নদী। যা এখন মরা খালে পরিণত হয়েছে। এ খালের উভয় পাড়ে রয়েছে, মল্লিকপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা।
যার এক পাড়ে রয়েছে চরমল্লিকপুর গ্রাম এবং অপর পাড়ে রয়েছে পারমল্লিকপুর গ্রাম। পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের খলিশাখালী ও রাজুপুর গ্রাম। এদিকে নবগঙ্গা খালের পাড়েই রয়েছে, মল্লিকপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কওমী মাদ্রাসা, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও পাশেই রয়েছে মল্লিকপুর ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়। প্রতিদিন শতশত শিক্ষার্থী, ইউনিয়ন ও স্বাস্থ্য কেন্দ্রে আসা লোকজনকে ঝুঁকি নিয়ে, নবগঙ্গা খালের ওপর নির্মিত বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হতে হয়। ঝুঁকি পূর্ণ এই সাঁকো দিয়ে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যেতে সাহস পায় না কোন গর্ভবতী ও প্রসূতি মহিলারা।
সাঁকো পার হয়ে বিদ্যালয়ে যেতে চায়না শিশু শ্রেণীর অনেক শিক্ষার্থী। এছাড়া প্রায়ই শিশু শিক্ষার্থী সাঁকো থেকে পড়ে আহত হয়। মল্লিকপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সাহিদুর রহমান জানান, আমার ইউনিয়নের অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান নবগঙ্গা খালের পাড়ে অবস্থিত। ফলে একটি ব্রিজের অভাবে অপর পাড়ের স্বাস্ব্য সেবা, শিক্ষা এবং আইন-শৃংখলা বজায় রাখা আমার পক্ষে খুব কষ্টকর হয়ে পড়েছে। যত দ্রত সম্ভব অত্র এলাকায় একটি ব্রিজ নির্মাণের জন্য জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
