পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় স্থানীয় সরকার বিভাগ সুষ্ঠু পরিকল্পনা ছাড়াই যত্রতত্র ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ করায় দীর্ঘদিন ধরে সেগুলো অব্যবহূত অবস্থায় পড়ে আছে। কোনটির নির্মাণ কাজ শেষ না করেই ঠিকাদার মোটা অংকের বিল তুলে নিয়ে পালিয়েছে। তার বিরুদ্ধে এলজিইডি কোন ব্যবস্থাও নেয়নি। অথচ এসব ব্রিজ নির্মাণে সরকারের কয়েক কোটি টাকা খরচ হয়। এগুলোর মধ্যে ২/১ টি ব্রিজের এক পাশে কোন রাস্তাই নেই। আবার কোনটির উভয় পাশে সংযোগ সড়কও নির্মাণ করা হয়নি। এছাড়া যেখানে প্রশস্ত ব্রিজ দরকার সেখানে ফুটব্রিজ করে রাখা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত ভাঙ্গুড়া-খানমরিচ-নওগাঁ সড়কে নৌবাড়িয়ার কাছে বিশার নালার উপর একটি ফুটব্রিজের ৬টি পিলার নির্মাণের পর তা বাতিল করা হয়।
এখানে মাত্র ১০ লাখ টাকার কাজ করে ঠিকাদার ৩৭ লাখ টাকার বিল তুলে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। খানমরিচ ইউনিয়নে পুকুরপাড় হাট সংলগ্ন একটি ব্রিজ বাতিল করে এর সাথেই আরেকটি ব্রিজ নির্মাণ করে বিপুল পরিমাণ অর্থ অপচয় করা হয়েছে। নৌবাড়িয়া পশ্চিম পাড়ায় ব্যক্তি স্বার্থে একটি বাড়ির পেছনে প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে যে ব্রিজ নির্মাণ করা হয় তা শুরুতেই পরিত্যক্ত হয়। এছাড়া এই ব্রিজের দক্ষিণে বাড়ি ছাড়া কোন সংযোগ রাস্তা না থাকায় ব্রিজটি গ্রামবাসীর কোন উপকারে আসেনি। এ রকম বড় বিশাকোল-বাঁশবাড়িয়া ও খানমরিচ ইউনিয়নে নির্মিত কমপক্ষে ১০টি অপ্রয়োজনীয় ব্রিজ ও কালভার্ট ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। আরো কয়েকটি ব্রিজ ভাঙ্গার তালিকায় রয়েছে। যা মাত্র ৮/১০ বছর আগে নির্মাণ করা হয়। এতে সরকারের কয়েক কোটি টাকা নষ্ট হয়। এজন্যে দোষীব্যক্তিদের কোন জবাবদিহি করতে হয়নি।
