লাকসাম নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি কলেজে গতকাল শনিবার ছাত্রশিবিরের অতর্কিত হামলায় ১০ ছাত্রলীগ কর্মী আহত হয়েছে। আহতদের লাকসাম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনার জের হিসাবে লাকসাম বাজারে একটি ক্লিনিকসহ ৭/৮টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর করা হয়। লাকসামে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শহর ছাত্রশিবির সভাপতি শাহাদাত হোসেন গতকাল বেলা ১১টায় কলেজ ক্যাম্পাসে গেলে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের রোষানলে পরে লাঞ্ছিত হন। কিছুক্ষণ পরেই ছাত্রশিবিরের কর্মীরা সংঘবদ্ধ হয়ে হামলা চালায়। এ সময় কলেজ ছাত্রলীগ নেতা সাইফুল ইসলাম রাজু, আবদুল্লাহ আল মাহমুদ সোহেল, ফারুক আহমেদ শাওন, তাসকির শাহরিয়ার জিসান, ওমর ফারুক, পেয়ার আহমেদ সুজন, আনিসুর রহমান সোহেল, জাবেদ আহমেদ অপু, আবদুল মমিন, আবদুল আউয়াল আহত হয়। আহতদের মধ্যে সাইফুল ইসলাম রাজুর অবস্থা গুরুতর। উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক ও কলেজ ছাত্রলীগ নেতা শিহাব খান জানান, দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রশিবির কলেজে কর্মকাণ্ড চালাতে পারেনি। গতকাল হটাত্ ওই নেতা ক্যাম্পাসে আসলে সাধারণ ছাত্রদের রোষানলে পড়ে। ঘটনার পর পর বিক্ষুদ্ধ ছাত্রলীগ কর্মীরা ইসলামী ব্যাংক এটিএম বুথ, এলজি বাটারফ্লাই শো-রুম, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও জামায়াত নেতার মালিকানাধীন লাকসাম ডায়াগনস্টিক সেন্টার এন্ড হসপিটাল, ইউনাইটেড মোটরস, লাকসাম ক্যামব্রিয়ান স্কুল এন্ড কলেজের প্রশাসনিক কার্যালয়সহ ৭/৮টি প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক ভাংচুর করে। লাকসাম থানার ওসি আবুল খায়ের জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কুমিল্লা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ আনা হয়েছে এবং শহরের টহল জোরদার করা হয়েছে।
