পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগ ও ছাত্রদলের মধ্যে সংঘর্ষে কমপক্ষে ১২ জন আহত হয়েছে। গতকাল শনিবার সকালে ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আগামী মঙ্গলবার থেকে ৩ দিনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ক্লাস বন্ধ ঘোষণা করেছে। পাশাপাশি ছাত্রলীগ বিশ্ববিদ্যালয়ের জামায়াত-শিবির সমর্থিত প্রক্টরের অপসারণ দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী হানিফুল ইসলাম ও শিক্ষার্থীরা জানান, সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স বিভাগের ৪র্থ বর্ষের বিদায় অনুষ্ঠানের জন্য চাঁদা তোলাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগ ও ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে বেলা ১১টার দিকে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে আতিক, আখতার, মামুন, উল্লাস, আল আমিন, সনেটসহ কমপক্ষে ১২ ছাত্র আহত হন। আহতরা স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিত্সা নিয়েছেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এদিকে সংঘর্ষের সময় প্রক্টর কামরুজ্জামান ছাত্রদলকে সহযোগিতা করেছেন-এই অভিযোগে ছাত্রলীগ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে। তারা প্রক্টরকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে এবং তার অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত ক্লাস বর্জনের ঘোষণা দেয়।
তবে প্রক্টর কামরুজ্জামান ছাত্রদলকে সহযোগিতার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য আগামী ২৫ জুন পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ক্লাস বন্ধ করে দেয়া হয়েছে, তবে পরীক্ষা যথারীতি চলবে।
এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ড. মোজাফ্ফর আহমেদের মুঠোফোনে বার বার চেষ্টা করেও তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
