[ আ লো ক পা ত ]

গ্রামীণ ব্যাংক পুনর্গঠন :আর এক সর্বনাশা সিদ্ধান্ত

আপডেট : ২৩ জুন ২০১৩, ২১:১৫
সরকার কর্তৃক সৃষ্ট গ্রামীণ ব্যাংকের সংকট নিয়ে এর আগেও লিখেছি। আমি তখনও বলেছিলাম যে, গ্রামীণ ব্যাংককে তার নিজস্ব গতিতে চলতে দিতে হবে। কোন মতেই এর অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করা ঠিক হবে না। আমি আরও উল্লেখ করেছিলাম যে গ্রামীণ ব্যাংক একটি আন্দোলনের নাম, এ আন্দোলন দারিদ্র্যকে জয় করার আন্দোলন। দারিদ্র্যপীড়িত বাংলাদেশের গ্রাম অঞ্চলের পশ্চাত্পদ জনগোষ্ঠীর ভাগ্য উন্নয়নের জন্য এ আন্দোলন। অতএব কোনক্রমেই এর গতিরোধ করা ঠিক হবে না। কিন্তু অতিসম্প্রতি পত্রপত্রিকায় দেখতে পেলাম সরকার কর্তৃক গঠিত গ্রামীণ ব্যাংক কমিশন গ্রামীণ ব্যাংককে ১৯ বা ততোধিক স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের সুপরিশ করেছেন। শুধু তাই নয় এতে সরকারি শেয়ারের পরিমাণ ৫১ শতাংশে উন্নীত করার সুপারিশ করা হয়েছে। কোন কোন পত্রিকায় দেখেছি যে, সরকার গঠিত কমিশন গ্রামীণ ব্যাংককে ১৯ টুকরা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে বর্তমান সরাকারের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ এর সদস্যদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার করেছে। সত্তরের দশকের মাঝামাঝি সময়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্কালীন অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ডঃ মুহাম্মদ ইউনূস গ্রামের অধস্তন শ্রেণীর তথা গরীব জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্যে গবেষণা শুরু করেন। তবে তার এ গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাসরুম ও লাইব্রেরির মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। যে জনগোষ্ঠীর ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য তিনি সচেষ্ট হন, তাদের মধ্যে গিয়ে তাদেরই একজন হয়ে তিনি তার গবেষণা পরিচালনা করেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরে “জোবরা” নামক গ্রামে তিনি তার পরীক্ষা নিরিক্ষা শুরু করেন। এরই ফলশ্রুতিতে কৃষি ব্যাংকের একটি প্রকল্প হিসাবে আজকের গ্রামীণ ব্যাংকের যাত্রা শুরু হয়। এরপর এ প্রকল্প সম্প্রসারিত হয় টাঙ্গাইল ও অন্যান্য কয়েকটি জেলায়। এ প্রকল্পের সফলতার ধারাবাহিকতায় আশির দশকের প্রথমদিকে গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্প “গ্রামীণ ব্যাংকে” রূপান্তরিত হয়। এরপর থেকে নিরবিচ্ছিন্নভাবে গ্রামীণ ব্যাংক এর অগ্রযাত্রা অব্যাহত রেখেছে। প্রতিষ্ঠাতা প্রফেসর ইউনুস চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে দিয়ে এর হাল ধরেন। দক্ষ নাবিকের পরিচালনায় সুসংগঠিত সংগঠনটি তার অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে সমর্থ হয়। ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ে গ্রামের গরীব মানুষের বিশেষ করে গরীব মহিলারা চরম দারিদ্র্যকে জয় করে স্বাবলম্বী হওয়ার সংগ্রাম শুরু করে। অর্থনৈতিক মুক্তির পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্যের উন্নতির সংগ্রামও চলতে থাকে। ধীরে ধীরে এ কর্মসূচীর কাহিনী দেশে বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে। গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণ কর্মসূচী বিশ্বব্যাপী ইতিবাচক সাড়া জাগায়। বহু দেশি-বিদেশি গবেষণা সংস্থা, গবেষক এর উপর স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী গবেষণা পরিচালনা করেন, তুলে ধরেন এর সফলতার ও সীমাবদ্ধতার কথা। এর উপর গবেষণা পরিচালনা করে কোন কোন গবেষক বিদেশি (পশ্চিমা) বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম. ফিল, পি.এইচ.ডি ডিগ্রিও অর্জন করেন। যে কোন প্রতিষ্ঠানের সফলতার পাশাপাশি সীমাবদ্ধতা থাকাও অস্বাভাবিক নয়। গ্রামীণ ব্যাংকের সফলতার কাহিনী তার ছোটখাট ব্যর্থতাকে ম্লান করে দিয়েছে। তাই ২০০৬ সালে প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংক নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। আজ গ্রামীণ ব্যাংকের ঋণ গ্রহীতার সংখ্যা প্রায় ৮৪ লক্ষ এবং বছরে ঋণের পরিমাণ প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা। ঋণ গ্রহীতার প্রায় সকলেই গ্রামের দুস্থ মহিলা। গ্রামীণ ব্যাংকের ঋণ নিয়ে তারা উপার্জনক্ষম অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত আছে। দারিদ্র্যকে জয় করার সংগ্রামে অবতীর্ণ আছে। তাই একে খাটো করে দেখার কোন উপায় নেই। আজকের বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে গ্রামীণ ব্যাংকের অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। গ্রামীণ ব্যাংক একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান হলেও এর উপর বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। প্রতিবছর বাংলাদেশ ব্যাংক গ্রামীণ ব্যাংক অডিট ও পরিদর্শন করে। গ্রামীণ ব্যাংকে কোন বড় ধরনের অনিয়ম হয়েছে কিংবা এমন কোন চাঞ্চল্যকর নেতিবাচক ঘটনা ঘটেছে—সাম্প্রতিককালে বা দূর অতীতে, এমন কোন সংবাদ আমাদের চোখে পড়েনি। তাহলে এ প্রতিষ্ঠান নিয়ে সরকারের এত মাথা ব্যথা কেন? গ্রামীণ ব্যাংকের কর্মকাণ্ড বা এর বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে কমিশন গঠন নিয়ে ইতিমধ্যে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এহেন উদ্যোগে একথা প্রতীয়মান হওয়ার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে যে, এ ধরনের কমিশন গঠন অবশ্যই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। গ্রামীণ ব্যাংকের পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত ঋণগ্রহীতা গরিব সদস্যদের কাছ থেকে আসা উচিত। কেননা গরিব মানুষ কখনো ভুল সিদ্ধান্ত নেয় না। সফল আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গ্রামীণ ব্যাংক কাজ করছে। কোন গ্রাহক এ পর্যন্ত কোনো অভিযোগ করেননি। তারা ঋণ নিচ্ছেন, আবার তা ফেরতও দিচ্ছেন। তাহলে কেন পুনর্গঠন দরকার। দেখা গেছে বিগত ৪০ বছরে কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠান লাভজনকভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হয়নি। অতএব যেভাবে গ্রামীণ ব্যাংক চলছে সেভাবেই চলতে দেয়া উচিত। সরকারের এতে হস্তক্ষেপ করা উচিত হবে না। গ্রামীণ ব্যাংক পনর্গঠনের প্রয়োজন কেন হল? অর্থমন্ত্রী নিজেই বলেছেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূস চলে যাওয়ার পর গ্রামীণ ব্যাংক ভালোভাবে চলছে। তাহলে কেন আবার গ্রামীণ ব্যাংক ভেঙে পুনর্গঠন করা হচ্ছে? একটা প্রতিষ্ঠান যদি ভালোভাবেই চলে, তবে নতুন করে পুনর্গঠনের কি প্রয়োজন? সরকার গঠিত গ্রামীণ কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়িত হলে গ্রামীণ ব্যাংক ১৯ বা ২১ টুকরো হবে। দেশের ২১টি পুরনো জেলায় একটি করে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা পাবে। প্রতি জেলার নামে এসব গ্রামীণ ব্যাংকের নামকরণ হবে (যেমন-গ্রামীণ ব্যাংক সিলেট, গ্রামীণ ব্যাংক বরিশাল ইত্যাদি)। গ্রামীণ ব্যাংক ও ড. ইউনূসকে নিয়ে বর্তমান সরকারের কার্যকলাপ পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে যে নোবেল বিজয়ী বাংলাদেশের গর্ব প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি যেন সরকার অসন্তুষ্ট। এ অসন্তোষের কারণ প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে ইতিমধ্যে সরকারের একটি মহল প্রকাশ করেছেন। দুষ্ট লোক বলে, শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয় প্রফেসর ইউনূসের জন্য কাল হয়েছে। নোবেল পুরস্কার প্রফেসর ইউনূসকে দিয়েছে বিশ্বজোড়া খ্যাতি, গ্রামীণ ব্যাংক পেয়েছে জগেজাড়া স্বীকৃতি আর বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে পেয়েছে সম্মান ও সুখ্যাতি। কিন্তু এতে বর্তমান সরকারের একটি অংশের হয়েছে গাত্রদাহ। গত বছরের শুরু থেকেই এ মহলটি প্রফেসর ইউনূস এবং তারই সৃষ্ট এ প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বিষোদগার করে আসছে। এমনও বলতে শুনেছি যে ‘‘হোয়াইট ওয়াইন আর স্যান্ডউইচ খেলে’’ নোবেল পুরস্কার পাওয়া যায়। এ মহলটি এও বলেছে যে তিনি কোন যুদ্ধে জয়লাভ করে শান্তি এনেছেন, যে নোবেল পুরস্কার পেলেন? ক্ষুদ্র ঋণের মাধ্যমে গ্রামের অধঃস্তন শ্রেণী বিশেষ করে গ্রামীণ মহিলাদের জীবনযুদ্ধ জয়ের যে কাহিনী- সে সম্পর্কে এ মহলটি হয় ওয়াকেবহাল নয় অথবা জেনেও নাজানার ভান করছেন। সারা বিশ্ব যখন এর জয়গানে মুখরিত - আমাদের দেশের এ বিশেষ মহলটি তখন শুধু এর প্রতি মুখ ফিরিয়ে নেননি, নানা অপবাদে একে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করার প্রয়াস পেয়েছেন। আমি মনে করি এরই ধারাবাহিকতায় কমিশন গঠন করা হয়েছে। কিন্তু দেশের এমন একটি পরীক্ষিত, কার্যকর প্রতিষ্ঠানকে তার নিজস্ব গতিতে চলতে না দিয়ে - তার গতিরোধ করা কোন ক্রমেই সংগত হবে না। দারিদ্র্য ও দুর্যোগের দেশ বাংলাদেশ সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী একটি ইতিবাচক ধারণার সৃষ্টি হয় ড. ইউনূসের নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তির মাধ্যমে। নানা সীমাবদ্ধতা ও সমালোচনা সত্ত্বেও ড. ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংকের অবদান অস্বীকার করার মতো বিষয় নয়। স্বভাবতই তিনি আমাদের কাছ থেকে ন্যায্য সম্মান ও মর্যাদা প্রত্যাশা করেন এবং কৃতজ্ঞ জাতি ইতোমধ্যে তাকে যথাযথ সম্মানের আসনেই অধিষ্ঠিত করেছে। কিন্তু সম্মানহানি করার রাজনৈতিক সংস্কৃতির ধারাবাহিকতায় আজ তিনিও আক্রান্ত হয়েছেন। ড. ইউনূসের প্রতি অসম্মান জাতির জন্য বেদনাদায়ক। কেননা, সামগ্রিক বিবেচনায় ড. ইউনূসের অবদানকে কোনোক্রমেই খাটো করে দেখার উপায় নেই। নানা অজুহাতে প্রফেসর ইউনূসকে ইতিমধ্যেই গ্রামীণ ব্যাংক থেকে অপসারণ করা হয়েছে। মনে রাখা দরকার, ড. ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংক একে অপরের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এর প্রতিষ্ঠাতাকে তার প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান থেকে অপসারণ-এর ওপর অত্যন্ত ক্ষতিকর প্রভাব বিস্তার করবে এবং এ ধরনের অপসারণের উদাহরণ জাতির জন্য কখনোই মঙ্গলজনক হতে পারে না। ড. ইউনূসকে ঘিরে যেসব ঘটনা ঘটানো হচ্ছে, তা খুবই দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত। গ্রামীণ ব্যাংক লক্ষ লক্ষ দরিদ্র মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে সাহায্য করেছে। ক্ষুদ্র ঋণ কর্মসূচী (Micro credit) আজ শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই কর্মসূচীর মাধ্যমে দারিদ্য বিমোচনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। আমাদের দেশসহ বিভিন্ন দেশে এ কর্মসূচী আংশিকভাবে বা সম্পূর্ণভাবে সফল হয়েছে। গ্রামীণ ব্যাংক এ আন্দোলনের পথিকৃত হিসাবে প্রচুর প্রশংসা অর্জন করেছে। আর এর প্রতিষ্ঠাতা প্রফেসর ইউনূস বিশ্বব্যাপী অর্জন করেছেন বিরল সম্মান। তাই তিনি আমাদের গর্ব। ইতিমধ্যে ড. ইউনূস বলেছেন যে, “সরকার বলছে ৫১ শতাংশ শেয়ার তাদের দিতে হবে। এটা আইনের কথা নয়, এটা ছিনতাইয়ের কথা।” এছাড়া তিনি দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করেছেন যে “মানুষ জাগলে গ্রামীণ ব্যাংক ভাঙতে পারবে না সরকার।” অতএব বর্তমান সরকারের নিকট আমাদের আবেদন - দয়া করে গ্রামীণ ব্যাংককে সরকারের অধিনস্ত একটি প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করার চেষ্টা থেকে বিরত থাকুন। সরকারি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হলে গ্রামীণ ব্যাংক কোন পথে অগ্রসর হবে সেটা অনুমান করতেই ভয় হয়। গ্রামীণ ব্যাংক একটি নিয়ম শৃঙ্খলার ব্যাংক। সরকারি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হলে নানারকম সংঘাত এর ভেতর দ্রুত প্রবেশ করার সম্ভাবনা দেখা দেবে। আমাদের দেশে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর দুর্দশার খবর কে না জানে? সরকারি প্রতিষ্ঠানের অন্তর্নিহিত দুর্বলতা এবং তার ূদোষত্রুটি (vices) যদি গ্রামীণ ব্যাংকের মত প্রতিষ্ঠানকে গ্রাস করে, তাহলে তা হবে অত্যন্ত মর্মান্তিক ও দুর্ভাগ্যজনক। গ্রামীণ ব্যাংকের বর্তমান আইন কাঠামোর পরিবর্তন করে সরকারের নিয়ন্ত্রণ বাড়ানো হলে, এর ভবিষ্যত যে বিপন্ন হবে তাতে কোন সন্দেহ নেই। গ্রামীণ ব্যাংকের মালিক গ্রামের ঋণ গ্রহিতা দরিদ্র মহিলারা। তারা তাদের মালিকানা ছেড়ে দিবেন না। এ ব্যাংকের যে আইন কানুন, বিধি বিধান রয়েছে এবং যেভাবে এর কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে তা সন্তোষজনক প্রতীয়মান হয়েছে। এগুলো নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে এ পর্যায়ে এসেছে। কমিশনের দোহাই দিয়ে এর বিধি বিধান ও কাঠামো পরিবর্তন করে একে দুর্বল করার কোন অর্থ হয় না। এটি সরকারের তথা কারোর জন্যে মঙ্গলকর নয়। অতএব কোন অজুহাতেই গ্রামীণ ব্যাংকের বর্তমান কাঠামো পরিবর্তন করে এর কর্মকাণ্ডকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করা ঠিক হবে না। লেখক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য, সাবেক রাষ্ট্রদূত এবং বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী ও নৃবিজ্ঞানী