ক্ষণিকের জন্য এসে সকল আত্মীয়, পরিবার পরিজনকে কাঁদিয়ে সেই রেশমাকে আবার চলে যেতে হলো হোটেল ওয়েস্টিনে। রবিবার সন্ধ্যায়, হোটেল ওয়েস্টিন কর্তৃপক্ষের নিজস্ব পরিবহনে রেশমার জন্মস্থান ঘোড়াঘাটের কশিগাড়ী গ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। রেশমার বিদায়ে পরিবার পরিজনদের মধ্যে নেমে আসে এক শোকের ছায়া। পৃথিবীর মায়া ছেড়ে যেতে যেতে বিধাতার ইচ্ছায় রেশমা ফিরে আসে এই পৃথিবীতে। সারা বিশ্ব জেনে যায়, রানা প্লাজার ধ্বংস স্তূপ থেকে ১৭ দিন পর জীবিত উদ্ধার রেশমার বেঁচে থাকার কাহিনী।
বর্তমানে রেশমাকে প্রতিষ্ঠিত করতে দায়িত্ব নিয়েছেন হোটেল ওয়েস্টিন। যথার্থ বেতনাদিসহ সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা দিয়ে চাকরি দিয়েছেন হোটেল ওয়েস্টিন কর্তৃপক্ষ। অবশেষে রেশমার ইচ্ছাকে পূরণ করতে গত ২০ জুন দিবাগত রাত ১টায় অতি গোপনীয়তার মধ্যদিয়ে রেশমাকে নিয়ে আসেন তার জন্মস্থান ঘোড়াঘাটের কশিগাড়ী গ্রামে। পরদিন থেকে লোকজনের কানাকানিতে ভিড় জমতে থাকে রেশমার সেই জীর্ণ কুটিরে। সাধ্য মতো চেষ্টা করেছে রেশমা সবার প্রশ্নের জবাব দিতে। রেশমার এই ২/৩ দিন পরিবারের লোকজনসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে শত-শত লোকের আগমনে ভালই দিন কাটছিল। কিন্তু যেতে হলো সকলকে কাঁদিয়ে।
