পেশাদার ফুটবল লিগের কোনো ম্যাচে এতো দর্শক দেখা যায়নি বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে। মৌসুমের হিসেবেও সবচেয়ে বেশি দর্শক দেখা গেল গতকালকের সুপার কাপ ফুটবল ফাইনালে মোহামেডান শেখ রাসেলের লড়াইয়ে। স্টেডিয়ামের ভিআইপি গ্যালারিতে একটা চেয়ার শূন্য ছিল না। কয়েক শত দর্শক দাঁড়িয়ে খেলা দেখেছে। পশ্চিম গ্যালারির দুই পাশেই দর্শক সমাগম ছিল নজরকাড়া। সব মিলিয়ে প্রায় ১৮ হাজার দর্শক ফাইনাল ম্যাচ উপভোগ করেছেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বৃষ্টির পরও এতো দর্শক ছিল অপ্রত্যাশিত। ফাইনালের উত্তেজনাই মূলত দর্শকদের মাঠে টেনে আনে। তাছাড়া সুপার কাপের ফাইনাল মানে প্রতিটি মুহূর্ত উত্তেজনায় ঠাসা। মোহামেডান শেখ রাসেলের এ লড়াইয়ে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার দর্শক এসেছিল স্টেডিয়ামে। আবাহনী ফাইনালে ছিল না। তারপরও এই দলটির অনেক দর্শক তাদের নিজেদের গ্যালারিতে জায়গা নিয়েছিলেন। আবাহনী গ্যালারিতে বসা দর্শকরা শেখ রাসেলকে সমর্থন দিয়েছেন। শেখ রাসেল গোল করলে চিত্কার করেছেন তারা। কারণ মোহামেডান গোল হজম করেছে বলে তারা খুশি। ধারণা করা যায় বৃষ্টির কারণে অনেকে মাঠে আসেননি। যারা একনিষ্ঠ সমর্থক কেবল তারাই মাঠে এসেছেন। কিছু মহিলা দর্শকও এসেছিলেন খেলা দেখতে। ইংলিশ দর্শক ব্রায়ান ক্লার্ক ফাইনালের সাক্ষি হয়ে থাকলেন বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে। সাত বার বিশ্বকাপ ফুটবল দেখার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। পাঁচটি বিশ্বকাপের ফাইনাল দেখেছেন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল দেখতে ৭০ হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কিনেছেন বলে জানালেন বাংলাদেশে কর্মরত ক্লার্ক। দিল্লীতে কর্মরত অবস্থায় সাফ চ্যাম্পিয়নশীপে বাংলাদেশের খেলা দেখেছিলেন। বাংলাদেশের ফুটবলের প্রশংসা করে এই ইংলিশ দর্শক কাল জানালেন এখানকার ফুটবল উত্তেজনা তাকে মুগ্ধ করেছে।
