সিরাজগঞ্জের দই ও মিষ্টি স্বাদেগন্ধে অনন্য

আপডেট : ২৬ জুন ২০১৩, ২০:১৬
মিষ্টি ও দইয়ের জন্য সিরাজগঞ্জ জেলার পূর্ব থেকে তেমন খ্যাতি ছিল না। এ কারণে এ জেলার উত্পাদিত মিষ্টান্ন সম্পর্কে মানুষের আগ্রহও খুব একটা নেই। তবে দই ও মিষ্টি খ্যাত জেলার নামে যে সকল মিষ্টান্ন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হচ্ছে তার অধিকাংশই সিরাজগঞ্জে তৈরী। স্বাদে ও গন্ধে অনন্য সিরাজগঞ্জের মিষ্টি ও দই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের মন জয় করছে। এ জেলার মিষ্টি ও দইয়ের কারিগররা যে সকল মিষ্টি তৈরী করে থাকে তার মধ্যে অন্যতম স্পেশাল পানতোয়া, রসগোল্লা, চমচম, ছানার বরফী, টেষ্টি ভোগ, রস মালাই, খেজুর গুড়ের সন্দেশ, রাজভোগ, কালোজাম, খীর সন্দেশ অন্যতম। এ সকল মিষ্টান্ন বিভিন্ন ডিজাইনে তৈরী করা হয়। দইয়ে মধ্যে, খীর খাসা দই, সরার দই, টক দই, সাদা দই, খীরসা অন্যতম। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, এ অঞ্চলের মিষ্টি ও দই অন্য যে কোন অঞ্চলের চেয়ে স্বাদ বেশি। শহরের তমিজ উদ্দিন এন্ড সন্স মিষ্টিমেলা ও দইঘর, ধানসিঁড়ি দইঘর, সম্পা দইঘর, সুব্রত সুইটস, খান মিষ্টান্ন ভান্ডার, মানিক ঘোষ, বিপ্লব সুইটমিট, ছাড়াও উল্লাপাড়া, শাহজাদপুর, বেলকুচি, রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও চৌহালীতে অনেক উন্নতমানের মিষ্টি ও দই তৈরী করা হয়। মিষ্টি তৈরীর কারিগর সাখাওয়াত হোসেন জানায়, প্রাকৃতিক কারণেই এ অঞ্চলের দই মিষ্টির স্বাদ বেশি। চরাঞ্চলের প্রাকৃতি ঘাষ খাওয়া গাভীর খাঁটি দুধ থেকে তৈরী হওয়ায় এখানকার দই মিষ্টির স্বাদ ও গন্ধই হয় অন্যরকম। সিরাজগঞ্জ শহরের সবচেয়ে প্রাচীন তমিজ উদ্দিন এন্ড সন্স মিষ্টিমেলা ও দইঘরের পরিচালক তারিকুল ইসলাম জানান, দীর্ঘ ৫০ বছরের অধিক সময় ধরে আমরা দই মিষ্টির দোকান চালিয়ে আসছি।