মানবতার কল্যাণে এনায়েতপুরের খাজা ইউনুছ আলী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল

আপডেট : ২৬ জুন ২০১৩, ২০:১৯
সেবাকে পুঁজি করে ব্যবসা নয়। প্রকৃত ভাবে মানবতার কল্যানে নিয়োজিত থাকতে উপমহাদেশের প্রখ্যাত ধর্মীয় নেতা, ওলিয়ে কামেল হযরত শাহ সুফী খাজা বাবা ইউনুছ আলী এনায়েতপুরী (রঃ)-এর নামে ব্যক্তিগত ভাবে সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে যে চিকিত্সা সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান তৈরী হয়েছে তার নাম খাজা ইউনুছ আলী মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল। বিশ্বমানের আধুনিক যন্ত্রপাতি সমৃদ্ধ ও অভিজ্ঞ চিকিত্সকদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত দেশের সর্ববৃহত্ এই অলাভজনক ট্রাষ্টি হাসপাতাল এতো অজোপাড়া গায়ে প্রতিষ্ঠিত করে পৃথিবীতে ইতিহাস তৈরী করেছেন এর প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত ডাঃ এম এম আমজাদ হোসেন। এরই কল্যানে বর্তমানে এই এলাকা এখন উন্নত আধুনিক নগরের ধারাবাহিকতায় এগিয়ে চলছে। আর প্রচুর অর্থ খরচ করে বিদেশ মুখী না হয়ে জটিল-কঠিন রোগের চিকিত্সা ও অপারেশন স্বল্প খরচে হবার কারনে উত্তরবঙ্গ সহ সমগ্র বাংলাদেশে এর সুনাম ছড়িছে পড়েছে। পাশাপাশি সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য মানবিক দিক বিবেচনা করে রাখা হয়েছে বিনামুল্যে চিকিত্সা সেবার ব্যবস্থা। তাই সকল শ্রেনীর মানুষই আধুনিক এ চিকিত্সা সেবার আওতার্ভুক্ত। শাহান শাহে তরিকত, বুজর্গ পীর খাজা বাবা ইউনুছ আলী এনায়েতপুরী (রঃ) বেঁচে থাকা কালীন তার অনুসারীদের নিয়ে (বর্তমান হাসপাতাল এলাকা) যমুনা পাড়ে এসে ঘোষনা করে ছিলেন, অসুখ-বিসুখে বিনা চিকিত্সায় যাতে মানুষ মারা না যায়, সে জন্যে এখানে প্রতিষ্ঠিত হবে একটি হাসপাতাল। আর তারই সে ঘোষনা বাস্তবায়নের জন্য বিটিএমসির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক চেয়ারম্যান, ড্রাক ইন্টার ন্যাশনাল লিমিটেডের এমডি প্রয়াত ডাঃ এম এম আমজাদ হোসেন খাজা এনায়েতপুরী (রঃ) নির্ধারিত স্থানে গত ১৯৯৬ সালে এনায়েতপুর গ্রামের দক্ষিন এলাকার খরস্রোতা যমুনা নদীর ভিতর নিজস্ব ৯০ একর জায়গার সিদ্ধান্ত নেয় খাজা ইউনুছ আলী (রঃ) নাম অনুসারেই একটি হাসপাতাল করার। তার পরের বছরেই যমুনা নদীর ৪০-৫০ ফুট গভীর জায়গা ভরাট করে প্রায় ১২শ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০০৩ সাল নাগাদ খাজা ইউনুছ আলী মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালের নির্মান কাজ শেষ হয়। অনন্য স্থাপত্য শৈলীতে তৈরী করা হয় ৫৬ টি ভবনের মধ্যে ২২টি ভবন। এর মধ্যে রয়েছে ৫৮৬ বেডের এ হাসপাতাল ভবন, সুবিশাল ইনডোর ভবন, মেডিকেল কলেজ, নার্সিং ইন্সটিটিউিট, ক্যান্সার ইন্সটিটিউিট, ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল এন্ড কলেজ, ছাত্র-ছাত্রীদের আলাদা হোষ্টেল, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাস ভবন, সুবািশাল আবাসিক হোটেল, আধুনিক মার্কেটসহ অন্যান্য স্থাপনা।