লিগে বিদেশি ফুটবলার কমছে না

আপডেট : ২৬ জুন ২০১৩, ২১:৩৭
সুপার কাপ ফুটবলে আট দল খেলেছে বিদেশি ফুটবলার ছাড়াই। ঘরোয়া টুর্নামেন্টে বিদেশিদের জন্য দরজা বন্ধ ছিল দেশি ফুটবলারদের জায়গা করে দিতে। তাতে দেশি ফুটবলাররা দেখিয়েছেন তারাও কোনো ভাবে পিছিয়ে নেই। দেশি ফুটবলার নিয়েও ভালো খেলা উপহার দেয়া যায় মনে করে বিদেশি ফুটবলারের সংখ্যা কমানোর পক্ষে খেলোয়াড়রা। শেখ রাসেলের এমিলি, মিঠুন, মোহামেডানের অধিনায়ক মতিউর মুন্না, মারুফসহ অনেকই বিদেশি ফুটবলারের সংখ্যা কমানোর পক্ষে। মোহামেডানের ডাইরেক্টর ইনচার্জ লোকমান হোসেন বিদেশি ফুটবলারদের পক্ষে নন। শেখ রাসেলের সভাপতিও এক সাক্ষাত্কারে বিদেশি ফুটবলার কমানোর পক্ষে কথা বলেছেন। তবে তিনি চাইছেন ক্রমান্বয়ে বিদেশিদের অংশগ্রহণ কমিয়ে দেয়া যেতে পারে। কিন্তু বাফুফে আগামী মৌসুমের পেশাদার ফুটবল লিগে বিদেশি কোটা কমাচ্ছে না। গতবারের মতোই থাকছে সংখ্যাটা। গত মৌসুমে সাতজন বিদেশি ফুটবলার পেশাদার লিগে রেজিস্ট্রশন করার নিয়ম ছিল। সাতজন রেজিস্ট্রেশন হবে আর চার জন মাঠে খেলতে পারবেন। আগামী লিগেও তাই থাকবে বলে জানিয়েছে বাফুফে। পেশাদার লিগের নয়টি ক্লাবে প্রায় অর্ধশত বিদেশি ফুটবলার খেলেছেন। লিগের ফিরতি পর্বে অনেক ক্লাবই নতুন করে বিদেশি ফুটবলারও এনেছিল। সেই হিসাবে গেল মৌসুমে বিদেশি ফুটবলারদের ছড়াছড়ি ছিল। এবারও কমছে না সংখ্যাটা। সুপার কাপে স্ট্রাইকাররা গোল পেয়েছেন, ভালো খেলেছেন। কিন্তু স্ট্রাইকারদের জন্য এটা শক্ত পরীক্ষা নয়। জাতীয় ফুটবল দলকে খেলতে হবে বিদেশি ডিফেন্ডারদের বিরুদ্ধে। সেখানেই হবে কঠিন পরীক্ষা। পেশাদার ফুটবল লিগে ফুটবলারদের প্রয়োজন আছে বলে মনে করছেন বাফুফে সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন। তিনি গতকাল বিকালে সাংবাদিকদের সাথে আলোচনায় জানিয়েছেন এখনই বিদেশি খেলোয়াড়দের জন্য দরজা বন্ধের পক্ষে নন তিনি।