জীর্ণদশায় লোহাগড়া হাসপাতাল আতঙ্কে রোগী ও কর্মচারীরা

আপডেট : ২৬ জুন ২০১৩, ২১:৫৫
লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দ্বিতল ভবনটির জনাজীর্ণ দশা। ফলে আতঙ্কে রয়েছেন চিকিত্সক-কর্মচারি ও রোগিরা। এদিকে ছাদ ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা এবং পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের লোকজন আতঙ্কে কক্ষ ছেড়ে বারান্দায় চেয়ার-টেবিল নিয়ে বসেছেন। রবিবার সরেজমিনে দেখা গেছে, অধিকাংশ কক্ষের ছাদের পলেস্তরা খসে পড়ছে। দেয়ালে ও বিমে ফাটল ধরেছে। হাসপাতালের দোতলা ভবনের উত্তর পাশের চারটি কক্ষের একতলার ছাদ বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। হাসপাতালে চিকিত্সাধীন ভর্তি হওয়া রোগী রেহেনা খানম, আরজিনা বেগম কখন ছাদ মাথার ওপর ভেঙ্গে পড়ে সেই দুশ্চিন্তায় আছি। পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা নাদিরা খানম জানান, ছাদ ধসে পড়ার আশঙ্কায় আমরা কক্ষ ছেড়ে বারান্দায় বসে কাজ করছি। ফলে মহিলাদের গোপনীয় চিকিত্সা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. শহীদুল ইসলাম জানান, ছাদের একাংশ ধসে পড়ায় অপারেশন কক্ষে কাজ করা যাচ্ছে না।