অনুকূল আবহাওয়ায় বৃহত্তর ময়মনসিংহের মধুপুর গড়ে আনারসের বাম্পার ফলন হয়েছে। এ ফল এবার ভারতেও রফতানি হচ্ছে। বাজারজাত ও বিপণনে সমস্যা না থাকায় চাষীরা লাভবান হচ্ছে। কৃষি সমপ্রসারণ বিভাগ জানায়, এবার মধুপুর, ঘাটাইল, ফুলবাড়িয়া, মুক্তাগাছা ও জামালপুর সদর উপজেলায় ৩০ হাজার একরে জায়েন্টকিউ জাতের আনারস আবাদ হয়েছে। ইদিলপুর গ্রামের চাষী হাবিবুর রহমান জানান, এবার বৃষ্টি কম থাকায় ক্ষেতেই পাকিয়ে ধীরে-সুস্থে বাজারজাত করা যাচ্ছে। জলছত্র পাইকারি বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, এবার বড় আকারের আনারস শতকরা ৩ হাজার টাকা এবং মাঝারি শতকরা ১৬শ’ থেকে ২৪শ’ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যশোর ও কুষ্টিয়ার ব্যবসায়ীরা সীমিত আকারে মধুপুরের আনারস ভারতেও রফতানি করছেন। চাষী আব্দুল হালিম বলেন, এক শ্রেণীর মহাজন অভাবী চাষীদের বাগান কিনে অপরিপক্ব আনারসে ইথরেল জাতীয় হরমোন প্রয়োগ করছে। যার ফলে ১০/১২ ঘন্টার মধ্যে আনারস পেকে হলুদ রং ধারণ করলেও স্বাদ একেবারেই টক। বেশি খেলে পেট খারাপও হয়। ইদিলপুর আনারস চাষী সমবায় সমিতির সাবেক সম্পাদক আলী আকবর ফকির জানান, প্রশাসন এসব ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়ায় মানুষ ফলের নামে বিষ খাচ্ছে। উপজেলা কৃষি সমপ্রসারণ বিভাগ জানায়, হরমোন দিয়ে ফল পাকানো বন্ধে দু’টি অভিযান চালানো হয়েছে।
