বুধবার দুপুরে লালপুর হাসপাতালে রামকৃষ্ণপুরের মুক্তিযোদ্ধা মৃত ছাকাত আলীর মেয়ে ও বালিতিতা হাই স্কুলের দশম শ্রেণীর ছাত্রী লাবনী আক্তার লাকি (১৪) মারা যায়। প্রচার করা হয় সে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে। এই প্রচারণাকে অস্বীকার করে তার মা কোহিনুর বেওয়া একরামসহ ৪ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেছেন। এ ঘটনায় এলাকাবাসী একরাম হোসেন (২৮) ও বাদশাকে (২৯) আটক করে পুলিশে দিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে লাকিকে একরাম ও বাদশা মোটর সাইকেলে করে মনিহারপুর নিয়ে যায়। তারপর সকাল নয়টার দিকে রামকৃষ্ণপুর কসাই পাড়ার মোড়ে রাস্তায় তাকে আহতাবস্থায় পাওয়া যায়। সেখান থেকে লালপুর হাসপাতালে নেয়ার পর সে মারা যায়। অভিযুক্ত একরাম বলছে, মনিহারপুর স্কুলের কাছে পাওয়ার ট্রলির সাথে তার মোটরসাইকেলের ধাক্কা লাগলে লাকি আহত হয়। অপরদিকে চিকিত্সক এখলাসুর রহমান জানান, লাকির থুতনী, গলা ও পায়ে আঘাতের চিহ্ন ছিল।
