আইসিসিকে তদন্ত করতে বললেন বিন্দ্রা

আপডেট : ২৭ জুন ২০১৩, ২১:৩৮
আইসিসির বার্ষিক সাধারণ সভায় যোগ না দিয়েও সমালোচনার হাত থেকে নিস্তার পাচ্ছেন না এন শ্রীনিবাসন। বরং তিনি ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে কিভাবে সুযোগ পাচ্ছেন, সে নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি ও আইসিসি সভাপতির উপদেষ্টা আই এস বিন্দ্রা। শুধু এটুকু আপত্তি জানানোতেই শেষ হয়নি বিন্দ্রার আবেদন। তিনি বলছেন, শ্রীনিবাসনের স্বার্থ সংঘাত ও নৈতিকতা নিয়ে আইসিসির তদন্ত করা উচিত এবং আইসিসির সে এখতিয়ার আছে বলেই মনে করেন বিন্দ্রা। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) ফিক্সিং কেলেঙ্কারির একপর্যায়ে নিজের জামাতা ও চেন্নাই সুপার কিংসের কর্মকর্তা গুরুনাথ মেইয়াপ্পান গ্রেপ্তার হওয়ার পরই বিপাকে পড়েন শ্রীনিবাসন। চারদিক থেকে দাবি উঠলেও তিনি বিসিসিআই সভাপতির পদ থেকে সরে দাঁড়াননি। বরং সমঝোতার ভেতর দিয়ে সাবেক আইসিসি ও বিসিসিআই সভাপতি জগমোহন ডালমিয়াকে দায়িত্ব দিয়ে অলিখিতভাবে সরে দাঁড়িয়েছেন। এ অবস্থায় ডালমিয়া আইসিসি অধিবেশনে গেলেও পদাধিকার বলে ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে অংশ নেবেন শ্রীনিবাসন। আর এটাকেই তার লেখা চিঠিতে অনৈতিক বলছেন বিন্দ্রা, ‘ভারতীয় জনগণ যদি শ্রীনিবাসনকে প্রত্যাখ্যান করতে পারে, আইসিসিরও সেটা না করার কোনো কারণ নেই। আইসিসির অবশ্যই উচিত তাকে ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে অংশ নিতে না দেয়া এবং তার অন্যায় ও নৈতিকতা নিয়ে তদন্ত করা। আমি এটা জেনেই লিখছি যে, আইসিসির এটা এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে।’ বিন্দ্রা তার আলোচনা এখানেই সীমাবদ্ধ রাখেননি। আইসিসিকে পাঠানো চিঠিতে তিনি বলেছেন, শ্রীনিবাসনকে আইসিসির অর্থ ও বাণিজ্য ওয়ার্কিং কমিটিতে রাখাটাও এক ধরনের স্বার্থের সংঘাত তৈরি করা হয়। কারণ এই কমিটি যেসব বিষয় নিয়ে আলাপ করবে, তার অন্যতম হল স্টারের টিভি স্বত্ব; আর এই স্টার চ্যানেলের সঙ্গেও শ্রীনিবাসনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। ২০১৫ সাল পর্যন্ত আইসিসি ইভেন্টের প্রচারস্বত্ব পাওয়া স্টার স্পোর্টস আবার শ্রীনিবাসনের মালিকানাধীন চেন্নাই সুপার কিংসের স্পন্সর। ফলে এই সম্পর্ক নিয়েও আপত্তি তুলেছেন বিন্দ্রা।