বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ হয় অ্যাভিয়েশন সেক্টরে। একাবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় অ্যাভিয়েশনের কোনো বিকল্প নেই। অ্যাভিয়েশন বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে আকর্ষণীয়, উচ্চ পারিশ্রমিক ও উচ্চ মর্যাদার একটি পেশার ক্ষেত্র। চাকরির ক্ষেত্রটাও দেশীয় সীমানা পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পরিব্যাপ্ত। ভারতের বিমান মন্ত্রীর ভাষ্যমতে, শুধুমাত্র দক্ষিণ এশিয়াতেই আগামী ৫ বছরে প্রায় ২ লক্ষাধিক অ্যাভিয়েশন এক্সপার্টের প্রয়োজন হবে। জাতীয়ভাবে অঙ্গীকার করেছে যে , উল্লিখিত চাহিদার এক বড় অংশ শুধুমাত্র ইন্ডিয়া সরবরাহ করবে। তা ছাড়া মিডিল ইস্টেও রয়েছে অ্যাভিয়েশন এক্সপার্টদের ব্যাপক চাহিদা। শুধুমাত্র পেশাগত যোগ্যতা ও দক্ষতার উপর নির্ভর করে কর্মক্ষেত্র নিশ্চিত করার সুযোগ রয়েছে। আর এমনই ভাবনা থেকে বাংলাদেশে অ্যাভিয়েশন সেক্টর নিয়ে কাজ করছে অ্যারোনটিক্যাল কলেজ অব বাংলাদেশ (এসিবি)। প্রতিষ্ঠানটি গুণগত মানে বিশ্বাসী, সংখ্যাগত মানে নয়। তাই এই প্রতিষ্ঠানটি গুণগত মানের ব্যাপারে কোনো প্রকার আপস করে না । আন্তর্জাতিক অ্যাভিয়েশন অঙ্গনে শ্রেষ্ঠত্বের পরীক্ষায় টিকে থাকার উপযোগী করে প্রত্যেকটি ছাত্রছাত্রীকে অত্যন্ত যত্নের সাথে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন এসিসি। অ্যারোনটিক্যাল কলেজ অব বাংলাদেশ লন্ডনের স্বনামধন্য শিক্ষা বোর্ড এডেক্সেল কর্তৃক অনুমোদন প্রাপ্ত একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বর্তমানে এডেক্সলের অধীনে অত্যন্ত সুনাম ও সাফলতার সাথে ২টি কোর্স পরিচালনা করছে। দেড় বছর মেয়াদি কোর্স ২টি হলো—ন্যাশনাল ডিপ্লোমা ইন অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং ও হায়ার ন্যাশনাল ডিপ্লোমা ইন অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করতে পারেন এই ঠিকানায় :অ্যারোনটিক্যাল কলেজ অব বাংলাদেশ, বাড়ি-৩৮, রোড-২০, সেক্টর-১১, উত্তরা, ঢাকা। ফোন :০১৯৮৩৫৮৪২৩৯, ০১১৯১৭৯১৭৮০, ৮৯৯১২৪১। একজন শিক্ষার্থী এনডি ও এইচএনডি শেষ করে এসিবিতে দুই বছর মেয়াদি বিএসসি ইন এয়ারক্রাফট ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যানেজমেন্ট গ্র্যাজুয়েশন কোর্স সম্পূর্ণ করতে পারেন সুইজারল্যান্ডের রকফিন্ড ইউনিভার্সিটিতে এবং ২ বছর মেয়াদি বিএসি ইন এয়ারক্রা্ব ম্যানুফেকচারিং গ্র্যাজুয়েশন করতে পারেন চীনের সেনইয়ান অ্যারোস্পেস ইউনিভার্সিটিতে। এসিবির বিভিন্ন কোর্সে ভর্তির যোগ্যতা হলো বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এইচএসসি বা এ লেভেলে শিক্ষার্থীর ৩.৫ (পদার্থ, রসায়নসহ) থাকতে হবে।
