তরুণকণ্ঠ নিয়ে মতামত
প্রকাশে সাহায্য নিতে
পারেন জনপ্রিয়
ওয়েবসাইট
ফেসবুকের।
তরুণকণ্ঠের বন্ধু হতে
লগ ইন করুন www . facebook . com / torun.kontho
প্রতিদিনের
তারুণ্যময় জীবনে লাইফস্টাইল, ফ্যাশন আর নানা বিষয় নিয়ে তরুণদের জন্য এক আলাদা জগত্
প ড়া র ব ই
আইভরি কোস্টে লাল
সবুজের পাশে
লেখক :আনিসুল হক
প্রকাশক :প্রথমা
বইয়ের কথা :বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শান্তির পতাকা ঊর্ধ্বে তুলে ধরে কাজ করে চলেছেন অসংখ্য বাংলাদেশি। তারা বাংলাদেশের গৌরব বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছেন। বাংলাদেশের বিশিষ্ট লেখক ও সাংবাদিক আনিসুল হক আইভরি কোস্টে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষা মিশনের কার্যক্রম দেখতে যান। তার এই ভ্রমণ ছিল মিশন অ্যাসেসমেন্ট টিমের অংশ।
কেন পড়বেন :লেখকের কলমে এবং রঙিন আলোকচিত্রে এই বই হয়ে উঠেছে অনন্য এক উপহার, যাতে পাঠক লেখকের ভ্রমণ অভিজ্ঞতাকে নিজের করে দেখতে ও উপলব্ধি করে নিতে পারবেন।
দে খা র ছ বি
ওপেন রেঞ্জ
পরিচালক :কেভিন কস্টনার
ছবির কথা :কতগুলো মানুষের আদর্শগত সিদ্ধান্ত ও অবস্থানকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ওপেন রেঞ্জ সিনেমায়। হয়তো দুইশত বছর আগের সময়কে তুলে ধরে বর্তমান সময়ের মানুষকে কিছু বলা নির্মাতা কেভিন কস্টনারের উদ্দেশ্য ছিল। সবুজ ঘাসে ঢাকা বিস্তীর্ণ ভূমি, গরুর পাল, কাউবয়দের সংগ্রামী জীবন, গানহ্যান্ড, দারিদ্র্য ইত্যাদির দারুণ চিত্র পাওয়া যায় ওপেন রেঞ্জ সিনেমায়।
কেন দেখবেন :২০০৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘ওপেন রেঞ্জকে অথেনটিক ওয়েস্টার্ণ সিনেমা বলা হচ্ছে। চমত্কার লোকেশনে দারুণ সিনেমাটোগ্রাফি আর সেই সাথে ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর—সব মিলিয়ে বেশ উপভোগ্য ‘ওপেন রেঞ্জ’।
ত থ্য ক ণি কা
ছিটমহল
ছিটমহল একটি দেশের সীমান্তবর্তী সেই এলাকা যেখানে পার্শ্ববর্তী দেশের নাগরিকদের বসবাস রয়েছে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ছিমহলের সংখ্যা ১৬২। ছিটমহল মানে ভারতের ভেতরে বাংলাদেশের আর বাংলাদেশের ভেতরে ভারতীয় ভূখণ্ড। যেমন কুড়িগ্রামে ভারতের ছিটমহল দাশিয়ারছড়া। দাশিয়ারছড়ার ভেতরেই আছে চন্দ্রখানা নামের বাংলাদেশের একটি ছিটমহল। ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে রেডক্লিফের মানচিত্র বিভাজন থেকেই উদ্ভব ছিটমহলের। এক দেশের ভূখণ্ডে থেকে যায় অন্য দেশের অংশ। এতে এক অসহনীয় মানবিক সমস্যার উদ্ভব হয়। এসব ছিটমহলে বসবাসকারী জনসংখ্যা ৫১ হাজার। সাম্প্রতিক জনগণনা অনুযায়ী ভারতের ছিটমহলে বসবাসরত লোকসংখ্যা ৩৭ হাজার এবং বাংলাদেশের ছিটমহলের লোকসংখ্যা ১৪ হাজার। ২৪২৬৮ একর ভূমি নিয়ে দুই দেশের ছিটমহল। তার মধ্যে ভারতের ১৭ হাজার ১৫৮ একর।
কে না কা টা
বেল্ট
প্যান্টকে কোমরে আটকে রাখতেই এর ব্যবহার শুরু হলেও এখন এটি ফ্যাশনের অনুষঙ্গ। বর্তমানে এটি পোশাকেরই একটি অংশ। যেহেতু বেল্টের অনেক ধরন রয়েছে, তাই পোশাকের সঙ্গে এটি পরায় সতর্ক থাকতে হবে। যেমন ফরমাল ড্রেসের সঙ্গে পরতে হয় কম ডিজাইন করা বেল্ট। আর ক্যাজুয়াল প্যান্টের সঙ্গে মেটাল বেল্ট ভালো মানায়। চামড়া, লেদার ও কাপড়ের বেল্ট বেশি দেখা যায়। উন্নতমানের বেল্টগুলো সাধারণত চামড়ার হয়ে থাকে। লেদারের বেল্ট অনেক বেশি স্থায়ী হয়। তবে দুই প্রকার বেল্ট দেখতে প্রায় একই রকম। বর্তমানে বাজারে দেশি-বিদেশি দু’ধরনের বেল্টই পাবেন। দেশি ব্র্যান্ডের মধ্যে আছে অঞ্জন’স, নগরদোলা, যাত্রা ও এক্সট্যাসি ফ্যাশন হাউসের বেল্ট। আর বিদেশি বেল্টের মধ্যে রয়েছে বস, আরমানি, গুচি, ডিএনজি, পার্চাস, ডানহিল, প্লেবয়, ডিজেল, লেনমাই ও বেলি, লেমনি, ওয়েসডাই, ডেনমোনিয়ো, ওথাই, এসএল ইত্যাদি।
গ্রন্থনা :সাজেদুল ইসলাম শুভ্র
