বাংলাদেশের পোশাক কারখানার কর্মপরিবেশের উন্নতি হলেই অগ্রাধিকার বাণিজ্য সুবিধা (জিএসপি) আবার চালু হবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজীনা। তিনি বলেন, জিএসপি সুবিধা প্রত্যাহারের জন্য বাংলাদেশই দায়ী। তবে এ সুবিধা ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা এখনও আছে। এর ফলে বাংলাদেশেরই লাভ হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
গতকাল শুক্রবার রাজধানীতে সামাজিক ব্যবসা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের অগ্রাধিকার বাণিজ্য সুবিধা স্থগিত করে ওবামা প্রশাসন। তবে পোশাক কারখানাগুলোর কর্মপরিবেশের উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া রোডম্যাপের বাস্তবায়ন হলেই এ সুবিধা পুনরায় বহাল হবে বলে জানান রাষ্ট্রদূত মজীনা। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আদেশে বলা হয়:‘আমি নিশ্চিত বাংলাদেশের জিএসপি সুবিধা এখন স্থগিত করাই শ্রেয়। কারণ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত শ্রম অধিকারগুলো বাস্তবায়নে যথাযথ পদক্ষেপ বাংলাদেশ নেয়নি। এ বিষয়ে রাষ্ট্রদূত মজীনা বলেন, জিএসপি সুবিধা ফিরে পেতে চাইলে বাংলাদেশকে শ্রমিক অধিকার বাস্তবায়ন, তাদের ইউনিয়ন করার স্বাধীনতা, সব কারখানায় পর্যাপ্ত অগ্নিনিরাপত্তার ব্যবস্থা করা এবং কারখানা ভবনের কাঠামোগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উপর জোর দিতে হবে।
