সমপ্রতি জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে চলতি বছরের প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা আগামী ২০ নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে চলবে ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সময়সূচি অনুযায়ী ২০ নভেম্বর গণিত, ২১ নভেম্বর বাংলা, ২৪ নভেম্বর ইংরেজি, ২৫ নভেম্বর বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ২৭ নভেম্বর প্রাথমিক বিজ্ঞান এবং ২৮ নভেম্বর ধর্ম পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া দুই পরীক্ষায় সম্ভাব্য পরীক্ষার্থীর সংখ্যা, ফল প্রকাশের তারিখ, নম্বরপত্র ও সনদপত্র প্রদানের সম্ভাব্য তারিখও নির্ধারণ করা হয়েছে।
বর্তমান সরকারের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা নেওয়াটা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং ছিল। সব কিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী সম্পন্ন করার কারণে এটি স্বতঃস্ফূর্ত এবং সফলতার সঙ্গে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তবে একজন শিক্ষক হিসেবে লক্ষ করেছি যে, বিগত পরীক্ষাগুলোতে শিক্ষার্থীরা গণিতে ততটা ভালো ফলাফল অর্জন করতে পারেনি। যার কারণে স্কুলগুলোতে পাসের হারের পাশাপাশি এ+ পাওয়ার হার কমে গেছে। কেননা প্রথম দিন গণিত পরীক্ষা নেওয়ার কারণে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা নিজেদের জড়তা কাটিয়ে উঠতে পারে না। ফলে কাঙ্ক্ষিত রেজাল্ট করতে পারছে না। তাছাড়া প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় সব বিষয়ে এ+ না পেলে শিক্ষার্থীর মোট রেজাল্টকে এ+ ধরা হয় না। যার কারণে অনেক শিক্ষার্থী জীবনের প্রথম পরীক্ষাতে এ+ পাওয়ার আনন্দ থেকে বঞ্চিত হয়। তাই ২০ নভেম্বর বাংলা, ২১ নভেম্বর ইংরেজি, ২৪ নভেম্বর গণিত, ২৫ নভেম্বর বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ২৭ নভেম্বর প্রাথমিক বিজ্ঞান এবং ২৮ নভেম্বর ধর্ম পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলে গণিতে পাসের হার নিশ্চিত বৃদ্ধি পাবে বলে আমি মনে করি। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটিসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আমার মতামতটি বিবেচনার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
মোসা. রহিমা খাতুন, প্রধানশিক্ষক, ছুপুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নাঙ্গলকোট, কুমিল্লা।
