নারীর প্রতি সহিংসতা বিস্তারে বাড়ছে আর্থিক ক্ষতি

আপডেট : ২৯ জুন ২০১৩, ২১:৫৯
দেশে নানাবিধ কারণে নারীর প্রতি সহিংসতা চলছে। দিনদিন বাড়ছে এর বিস্তার ,আধুনিকতা আর গণমাধ্যম ও সমাজ সচেতন মানুষের তত্পরতা সচেতন করার প্রয়াশ অনেক ক্ষেত্রে বিফল হচ্ছে । এমনটাই মত প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের জেন্ডার সমতা ও নারীর ক্ষমতায়ন বিষয়ক সংস্থা ইউএন উইমেন আয়োজিত কর্মশালায় বক্তারা। গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘কনসালটেশান ওয়ার্কশপ অব ড্রাফট রিপোর্ট অন অ্যাড্রেসিং ভায়োলেন্স অ্যাগেইনস্ট উইমেন ফর মিডিয়া পারসোনেল’ শীর্ষক এই কর্মশালায় জাতিসংঘের জেন্ডার সমতা ও নারীর ক্ষমতায়ন বিষয়ক জরিপের তথ্য প্রকাশ করা হয়। কর্মশালার মূল উপস্থাপনা করেন ইউএন উইমেনের পরামর্শক ড. কানিজ সিদ্দিক। এতে বলা হয়, সমাজে পারিবারিক নির্যাতন ,প্রহারে মৃত্যু, এসিড সন্ত্রাস, যৌতুক, ধর্ষণসহ নারীর প্রতি বিভিন্ন ধরনের সহিংসতা অব্যাহত থাকার পিছনে রয়েছে সামাজিক-সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক কারণ। পাশাপাশি আইনের সঠিক প্রয়োগ ও রাজনৈতিক সহিংসতার কারণেও নারী নির্যাতন ঘটে। গবেষণায় দেখা যায় নারীর প্রতি সহিংসতা দেশের জন্য শুধু সামাজিক সমস্যা নয়, এর কারণে দেশের মোট আয়ও কমছে অন্তত ২ দশমিক ১২ শতাংশ। যার পরিমাণ ১ হাজার ৯৩৯ কোটি টাকা। তিনি বলেন, নারী উন্নয়নের জন্য সরকারের ১১টি মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি থাকলেও, সহিংসতা প্রতিরোধে এবং এর প্রতিকারের জন্য অধিকাংশ মন্ত্রণালয়েই কর্মসূচি নেই। সরকারের ১১টি মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক বাজেটে নারীর সহিংসতা বিষয়ক বরাদ্দের উপরে এ জরিপ চালানো হয়। এ মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে ছিলো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়, তথ্য মন্ত্রণালয়, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, যুব ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এবং আইন ও বিচার বিভাগ। অনুষ্ঠানে মানবসম্পদ উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ বিশেষজ্ঞ নিলুফার আহমেদ করিমের সঞ্চালনায় বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেয়া হয়।