সারিয়াকান্দিতে গতকাল বুধবার ভোরে নির্মাণাধীন বাঁধ ভেঙে জনপদে যমুনার পানি প্রবল বেগে প্রবেশ করতে থাকায় কুতুবপুর, কামালপুর, চন্দনবাইশা ও ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের ৫৩টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ জানমালের ক্ষতির আশঙ্কায় শংকিত হয়ে পড়েছে । গতবছর সেপ্টেম্বর মাসে তালুকদার পাড়ায় বাঁধ ও যমুনার ভাঙনে চন্দনবাইশা বাজার, তালুকদারপাড়া গ্রাম ও ৬/৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যমুনার গর্ভে বিলীন হয় । হাজার হাজার একর জমির ফসল তলিয়ে বিনষ্ট হয় । অসংখ্য ঘরবাড়ি ও ব্রিজ-কালভার্ট বিধ্বস্ত হয় । গতবছর বাঁধ ভাঙার ক্ষয়-ক্ষতির ধকল কেটে উঠতে না উঠতেই গতকাল ভোরে আবারো বাঁধ ভেঙে পানি প্রবেশ করতে থাকায় যমুনা পাড়ের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। গতবছর তালুকদার পাড়ায় বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় ওই এলাকার পিছন দিয়ে নিজ কর্নিবাড়ী পয়েন্ট থেকে রৌহাদহ বাজার পর্যন্ত ৫কি:মি: দীর্ঘ বিকল্প বাঁধ নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করে পানি উন্নয়ন বোর্ড। কিন্তু ডিপিপি অনুমোদন, জমির হুকুম দখলের জটিলতা এবং অর্থ বরাদ্দ পেতে বিলম্ব হওয়ার কারণে শুষ্ক মৌসুমে সময় মতো বাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু করা যায়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে ।
এদিকে গত মে মাস থেকে বাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু হলেও ঢিমেতালে কাজ করার জন্য কুতুবপুর পয়েন্টে নির্মাণাধীন বাঁধ ভেঙে যায় বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ । গতকাল বুধবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান খান ও সাংবাদিকরা ভাঙন স্থলে গিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কোন কর্মকর্তাদের দেখতে পাননি। এব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নূরুল ইসলাম সরকারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি সাইডে উপস্থিত ছিলাম। ভোরে বাঁধ ভেঙে যাওয়ার পরে চলে আসি ।
