নিয়োগ বাণিজ্য তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি

আপডেট : ০৪ জুলাই ২০১৩, ২৩:২৫
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) দুই হাজার কর্মচারী নিয়োগে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির বাণিজ্য ও অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে উচ্চ পর্যায়ের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি স্থগিত করা হয়েছে নিয়োগ কার্যক্রমও। তদন্ত কমিটিকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তদন্ত কমিটির আহবায়ক করা হয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) ইকবাল খান চৌধুরীকে। কমিটির দুই সদস্য হলেন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (মাধ্যমিক) এএস মাহমুদ ও উপসচিব শহিদুল ইসলাম। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। সভায় শিক্ষাসচিব কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক প্রফেসর ফাহিমা খাতুন, পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর শফিকুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের মেয়াদের শেষ সময়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) একই সাথে দুই হাজার জনবল নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক উঠছে। অভিযোগ উঠেছে, চাকরি দেয়ার কথা বলে প্রার্থীদের কাছ থেকে সর্বনিম্ন ২ লাখ থেকে সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা করে উেকাচ নেয়া হচ্ছে। আর এ অবৈধ কাজে জড়িত রয়েছেন বিসিএস শিক্ষা সমিতির প্রভাবশালী কয়েকজন নেতা। নিয়োগ কমিটির কর্মকর্তার অনেকে এই সমিতির সদস্য হওয়ায় নেতাদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ দিতে সাহস পাচ্ছেন না। নেতাদের নির্দেশনা অনুযায়ী তাদের কাজ করতে হচ্ছে। এ নিয়ে গত বুধবার ইত্তেফাকে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।