বাংলাদেশের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় ব্যয় করা অর্থের বড় অংশ চলে যাচ্ছে দুর্যোগকালীন ত্রাষ বিতরণে। ২০০৯ সালে ত্রাণ কর্মসূচিতে ব্যয় ছিল সামাজিক নিরাপত্তা খাতে মোট বরাদ্দের ১৯ শতাংশ। সে বছর এ ধরনের ত্রাণ সহায়তা কর্মসূচিতে উপকারভোগীর সংখ্যা ছিল মোট জনসংখ্যার প্রায় ১২ শতাংশ। বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগে জর্জরিত হওয়ায় মোট জনসংখ্যার ১২ শতাংশ বা এক কোটি ৮০ লাখ জনগোষ্ঠীকে প্রতিবছর ত্রাণের আওতায় নিয়ে আসতে হয়। শুধুমাত্র ২০০৭ সালে ঘূর্ণিঝড় সিডরের কারণে এদেশের ৪ হাজার ৪শ’ মানুষ নিহত হয়।
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য ফুটে উঠেছে। এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় ?অঞ্চলের ৩৫টি দেশের ওপর পরিচালিত গবেষণার প্রতিবেদনটি বুধবার নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে এডিবি। সামাজিক নিরাপত্তা সূচকের ভিত্তিতে করা ওই গবেষণা প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অবস্থান ২৮। এডিবির গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্বল্প আয়ের দেশ হলেও বাংলাদেশে সামাজিক নিরাপত্তা বাড়ানো প্রয়োজন। অন্যান্য অনেক দেশের তুলনায় বাংলাদেশের সামাজিক নিরাপত্তা খাতে ব্যয়ের পরিমাণ মোট জাতীয় আয়ের (জিডিপি) তুলনায় কম। ২০০৯ সালে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বাংলাদেশের জিডিপির তিন শতাংশের কম ব্যয় করা হয়েছিল। দেশের সার্বিক সামাজিক নিরাপত্তা বলয়ের আওতায় বয়স্ক, বিধবা, বেকার যুবকসহ দরিদ্র্য জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ বাড়ছে বলে জানায় এডিবি।
