তরুণ প্রজন্মের অনেকেই বর্তমানে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে সিরামিক শিল্পে ভবিষ্যত্ গড়তে আগ্রহী। কারণ সিরামিকে একজন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারের রয়েছে দেশে ও দেশের বাইরে বিভিন্ন সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিতে কাজের অবাধ সুযোগ। দেশের অভ্যন্তরেই বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি গ্লাস ও সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছেন ন্যূনতম ৫০০ ডিপ্লোমা ইজ্ঞিনিয়ার। এরা ভার্টিকাল মোবিলিটি পজেশন থেকে প্রধান নির্বাহী পদে কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন। বেতন পদ অনুযায়ী ন্যূনতম ৩০ থেকে ৫০ হাজার, এমনকি এক লক্ষ টাকাও হয়ে থাকে। এ ছাড়া একজন সিরামিক ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার পড়াশোনার শেষ ভাগে এসে ছাত্র অবস্থায়ই বিশেষ ভূমিকা রাখেন স্যান্ড, সিমেন্ট, ফায়ার ব্রিক, গ্লাস অ্যান্ড সিরামিক প্রোডাক্টসের দক্ষ আইই নিরীক্ষক হিসেবে। এ বিষয়ে পড়াশোনার সুযোগ করে দিচ্ছে এমন অনেক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সাইক এডুকেশনাল গ্রুপ অন্যতম। এই ইনস্টিটিউট ও সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিগুলোর রয়েছে একটি যৌথ চুক্তি। যার আওতায় নতুন ইন্ডাস্ট্রি তথা প্রতিষ্ঠান নির্মাণের বেলায় নতুন ও ভালো কিছু করতে ও করে দেখাতে উন্মুখ তরুণদের কাজে লাগায় ইন্ডাস্ট্রি ও ইনস্টিটিউট। এ জন্য উভয় প্রতিষ্ঠানের রয়েছে একটি ইনস্টিটিউট ও ইন্ডাস্ট্রি রিলেশন কমিটি। উক্ত কমিটি নতুন ইন্ডাস্ট্রি বা প্রতিষ্ঠানগুলোর টেকনিক্যাল সাপোর্টের জন্য শিক্ষার্থীদের আউট সাইডে কাজের বিষয়ে চুক্তি সম্পাদন ও তদারক ছাড়াও দেশি-বিদেশি সিরামিক ও গ্লাস ইন্ডাস্ট্রির খোঁজখবর, সেখানে জব প্লেসমেন্টের সুযোগসহ কারিকুলাম তৈরি, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা ও তার নিয়মিত মনিটরিং, সমমনা ও সমপর্যায়ের প্রতিষ্ঠান ও ইন্ডাস্ট্রিগুলোর লিস্ট আপডেট ও সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিদের সাথে যোগাযোগ ও সম্পর্ক উন্নয়নসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জব মার্কেট সংশ্লিষ্ট সার্ভে সেলের সাথে যোগাযোগ ও সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়ে কাজ করে। ডিপ্লোমা ইন সিরামিক ৪ বছরের কোর্স। এই কোর্সে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীরা পুস্তক নির্ভর শিক্ষার পাশাপাশি হাতে কলমে শিখবে ক্যামিকাল টেস্টিং ল্যাব, ফিজিক্যাল টেস্টিং ল্যাব, ফিজিকস্ ল্যাব, কেমিস্ট্রি ল্যাব, ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ল্যাব এবং সিরামিকস্ ওয়ার্কশপে। এ বিষয়ে আরও জানতে যোগাযোগ করতে পারেন এই ঠিকানায় :বাড়ি-৯, রোড-২, ব্লক-বি, সেকশন-৬, মিরপুর, ঢাকা। ফোন- ৮০৩৫০৯৫, ০১৯২৪৯০০৯০৭ ও ০১৭১৫০৬৭৩৭০। এই শিল্পে ভবিষ্যত্ প্রসঙ্গে সাইক এডুকেশনাল গ্রুপের চেয়ারম্যান আবু হাসান মো. ইয়াহিয়া বলেন, ‘এই শিল্পে দেশে কিংবা বিদেশে দক্ষ লোকবলের প্রচুর অভাব তথা চাহিদা রয়েছে। ফলে ভালোভাবে শেখাতে ও শিখতে পারলে চাকরির বাজারে এ জাতীয় প্রফেশনালদের চাহিদা ব্যাপক। দেশে হাতে গোনা যে কয়টি ইনস্টিটিউট এই কোর্স সাফল্যের সাথে পরিচালনা করছে, তারমধ্যে সাইক ইনস্টিটিউট অন্যতম। বিশেষকরে এদের রয়েছে উক্ত কোর্স পরিচালনায় দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষকমণ্ডলী, উপযুক্ত অবকাঠামো ও প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ ও অনুকূল পরিবেশ।
