ওয়েভি
ফেসবুকের সাহায্যে নানা ধরনের খবরাখবর পাওয়া যায় সহজেই। তবে এসব তথ্য নিজে থেকে আসে না, বন্ধুদের তা পোস্ট করতে হয়। কিন্তু ওয়েভি’র মাধ্যমে শুধু ব্যক্তিগত নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনের খবরও পৌঁছে যাবে ইউজারদের কাছে। ‘ওয়েভি’ একসঙ্গে বহু তথ্য দেবে। টুইট, ব্লগ বা আরএসএসফিড থেকে নিত্য নতুন ঘটনা সবকিছুই পৌঁছে দেবে ইউজারদের কাছে। তাও আবার এমন সব তথ্য, যা আপনার রুচির সঙ্গে মেলে। ওয়েবসাইট এবং আইফোন দু’ভাবেই ওয়েভি’র সেবা গ্রহণ করা সম্ভব। অর্থাত্, ওয়েভি সত্যিই আধুনিক। ঠিক ফেসবুকের মতোই কাজ করবে ওয়েভি। প্রতি মিনিটে প্রায় এক হাজার খবর দিতে পারবে ওয়েভি। আরও জানতে :https://wavii.com/
ই-বুক রিডার
সম্প্রতি পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে, আমেরিকানদের বেশিরভাগই ই-বুক পড়ার জন্য বিভিন্ন স্মার্টফোন ও ট্যাবলেটের চেয়ে কম্পিউটারই বেশি পছন্দ করেন। গবেষণা সংস্থা পিউ রিসার্চ সেন্টার এই গবেষণায় এক ফলাফল প্রকাশ করেছে। তিন হাজার আমেরিকানের উপর পরিচালিত জরিপে দেখা গেছে, প্রতি পাঁচজনে একজনই গত বছর ই-বুক পড়েছেন। তাদের মধ্যে ৪২ শতাংশই ই-বুক পড়ার জন্য কম্পিউটার ব্যবহার করেছেন। তবে ই-বুক যেই প্ল্যাটফর্মেই পড়া হোক না কেন, ই-বুক পড়ার পরিমাণ ক্রমেই বেড়ে চলেছে বলে জানা গেছে। ই-বুক সম্পর্কে আরও জানতে :http://ebook-reader-review.toptenreviews.com/
ফিফা ১৩
ফিফা ১৩ ইলেকট্রনিক আর্টসের ফিফা সিরিজের একটি ফুটবল গেম। গেমটি প্রস্তুত করেছে ইএ কানাডা এবং বিশ্বব্যাপী ইএ স্পোর্টস লেবেলের অধীনে বাজারে ছাড়া হয়েছে। ২০১২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ইউরোপ ও অস্ট্রেলিয়া অঞ্চলে এবং ২০১২ সালের অক্টোবরে উত্তর আমেরিকায় জনপ্রিয় সকল গেম কনসোলের জন্য এটি প্রকাশ করা হয়। এর মধ্যে প্লেস্টেশন ৩ ও এক্সবক্স ৩৬০ সংস্করণে উন্নততর গেম ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে এই সংস্করণের গ্রাফিক্সের মান অনেক উন্নত এবং এতে অনেক ধারাভাষ্যকার যুক্ত করা হয়েছে। ইএ এই সংস্করণের নাম দিয়েছে পরবর্তী-প্রজন্ম। কম্পিউটারসহ অন্যান্য সংস্করণে পুরোনো গেম ইঞ্জিন ব্যবহূত হয়েছে। নিনটেন্ডো ডিএস সংস্করণে জায়গা সঙ্কটের কারণে অপেক্ষাকৃত কম দল, স্টেডিয়াম, মোড ও পোশাক দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী প্রজন্মের গেম ইঞ্জিনে ধারাভাষ্য দিয়েছেন স্কাই স্পোর্টসের ক্লাইভ টাইল্ডেসলি এবং অ্যান্ডি টাউনেসন্দ। তবে বর্তমান প্রজন্মের গেম কনসোলে মার্টিন টেইলর এবং এলেন স্মিথ সঙ্গ দিয়েছেন। আরও জানতে :http://www.ea.com/fifa-soccer-13
ক্রিস ইভান্স
দুটি ভিন্ন সুপারহিরো চরিত্রে সফলভাবে অভিনয় করে ইতোমধ্যে হলিউড জয় করে ফেলেছেন অভিনেতা ক্রিস ইভান্স। এবার ছয় ফুট লম্বা, সোনালি চুল এবং নীল চোখের এই সুদর্শন অভিনেতা জানালেন, বলিউডের দিকে নাকি তার ভালোই নজর আছে! জানা গেল, ২০০৫-০৬ এর ভারত সফরই নাকি এই আগ্রহের মূলমন্ত্র। এই সফরে ভারতের আগ্রা এবং ঋষিকেশ ঘুরে দেশটির প্রেমে পড়ে যান ক্রিস। তার ভাষ্যে, ‘আমি ঋষিকেশ এবং আগ্রা ঘুরে দেখেছি। জায়গাগুলো সত্যিই অসাধারণ ছিল। আমি সেখানে তিন সপ্তাহ কাটিয়েছি। খুবই প্রশান্তিময় দিন ছিল সেগুলো।’ তিনি আরও জানিয়েছেন, ‘আমি নিশ্চিত, বলিউডে অসাধারণ সব পরিচালকেরা রয়েছেন। ভালো পরিচালকদের সঙ্গে ভালো ভালো কাজে আমি সবসময়ই আগ্রহী। সুতরাং বলিউড আমাকে হিসেবে ধরতে পারে!’ উল্লেখ্য, ক্রিস প্রথমবারের মতো আলোচনায় আসেন সুপারহিরো ফিল্ম ‘ফ্যান্টাস্টিক ফোর’-এর ‘হিউম্যান টর্চ’ চরিত্রে অভিনয় করে। পরবর্তীতে তিনি জনপ্রিয়তার তুঙ্গে ওঠেন ২০১১-এর ‘ক্যাপ্টেন আমেরিকা :দ্য ফার্স্ট অ্যাভেঞ্জার’ দিয়ে। সে বছরই মুক্তি পায় এই তারকার তৃতীয় সুপার হিরো ফিল্ম ‘দি অ্যাভেঞ্জারস’। তার সম্পর্কে আরও জানতে : http://en.wikipedia.org/wiki/Chris_Evans_(actor)
