যেকোনো সফল ব্যক্তিদের সাফল্যের পেছনে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখে তার কর্মনিষ্ঠা। কর্মের মাধ্যমেই একজন মানুষের আত্মপরিচয় বিকশিত হয়। আর মানুষকে মূল্যায়ন করা হয় তার কাজের মধ্য দিয়েই। এজন্য বলা হয় যে, কর্মই জীবন এবং কর্মই সাফল্যের চাবিকাঠি। চলুন দেখে নেওয়া যাক আপনি কাজের ক্ষেত্রে আপনি কতটা উদাসীন?
১. কাজের ব্যাপারে আপনার দৃষ্টিভঙ্গি...
ক. কাজের মধ্য দিয়ে সাফল্য পেতে চান।
খ. শর্টকাট উপায়ে সাফল্য পেতে চান।
গ. বিনা পরিশ্রমে সাফল্য পেতে চান।
২. নতুন কোনো দায়িত্ব পেলে
আপনার অনুভূতি...
ক. আনন্দিত চিত্তে কাজ করেন।
খ. উপায় নেই, কাজ করেন।
গ. যেভাবেই হোক কাজ এড়িয়ে চলা চেষ্টা করেন।
৩. কাজ করার সময় আপনি...
ক. একাগ্রচিত্তে কাজ করেন।
খ. কাজের ফাঁকে বিশ্রাম খোঁজেন।
গ. একটু কাজ করে হাঁপিয়ে উঠেন।
৪. নির্ধারিত কাজের ক্ষেত্রে আপনি...
ক. কাজ গুরুত্বপূর্ণ হলেও জমিয়ে রাখেন।
খ. পরিকল্পিতভাবে সঠিক সময়ে কাজ সম্পন্ন করেন।
গ. নির্ধারিত কাজ কখনোই শেষ
করতে পারেন না।
৫. ছুটির দিনে আপনি...
ক. সারাদিন ঘুমিয়ে কাটান।
খ. গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো শেষ করেন।
গ. ঘুরে বেড়ান।
৬. কাজের ক্ষেত্রে বসের অনুপস্থিতিতে আপনি...
ক. কলিগদের সাথে গল্প-গুজবে মেতে উঠেন।
খ. অর্পিত কাজগুলো শেষ করেন।
গ. দায়িত্ব বহির্ভূত কাজ করেন।
৭. কাজের সাথে আপনার চিন্তার সমন্বয় করতে আপনি...
ক. যা ভাবেন তাই করেন।
খ. শুরু করেন কিন্তু মাঝখানে এসে থেমে যান শেষ করতে পারেন না।
গ. ভাবনা কখনোই কাজে
রূপান্তরিত হয় না।
৮. পেশাগত দায়িত্ব ছাড়াও আপনি...
ক. গঠনমূলক সংগঠনের সাথে জড়িত।
খ. পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে
প্রশিক্ষণ নেন।
গ. অন্যকিছুতেই আগ্রহ নেই।
৯. অফিস এবং ব্যক্তিগত কাজে আপনি...
ক. আগে নিজের চিন্তা তারপর অফিস।
খ. দুটোই গুরুত্বপূর্ণ।
গ. আগে অফিস তারপর ব্যক্তিগত কাজ।
১০. বন্ধুদের সাথে আড্ডার সময় আপনি...
ক. কাজ নিয়ে আলোচনা করেন।
খ. কাজ বা পড়াশোনা বহির্ভূত
আলোচনা করেন।
গ. কাজে প্রতি বিদ্বেষপূর্ণ
আলোচনা করেন।
১১. আপনি ব্যক্তিগত জীবনে...
ক. সবসময় নিজের কাজ নিজেই করেন।
খ. নিজের কাজের জন্য সবসময় অন্যের উপর নির্ভরশীল।
গ. খুব প্রয়োজন ছাড়া অন্যের
সাহায্য নেন না।
ফলাফল
০-১০ :আপনি একেবারেই কর্মবিমুখ। আপনি কাজ না করেই সাফল্য পেতে চান। কিন্তু একটি বিষয় আপনাকে পরিষ্কারভাবে মাথায় রাখতে হবে তা হলো সাফল্য পেতে কাজের বিকল্প নেই।
১১-২০ :কাজের প্রতি নিষ্ঠা আপনার আছে, কিন্তু সবসময় তা ধরে রাখতে পারেন না।
২১-৩০ :আপনি যথেষ্ট কর্মনিষ্ঠ। আপনার কাছে কাজই বেশি প্রাধান্য পায়। কাজের মধ্যে দিয়ে আপনি সাফল্যের স্বর্ণশিখরে পৌঁছাতে চান। কিন্তু একটি বিষয়, ব্যক্তিজীবনকে ভুলে গেলেও হবে না।
আপনার স্কোর
ক খ গ
১. ৩ ২ ১
২. ৩ ২ ১
৩. ৩ ১ ২
৪. ১ ৩ ২
৫. ২ ৩ ১
৬. ১ ৩ ২
৭. ৩ ২ ১
৮. ৩ ২ ১
৯. ১ ৩ ২
১০. ৩ ২ ১
১১ ৩ ১ ২
