সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি

আপডেট : ০৫ জুলাই ২০১৩, ২১:৪৫
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর ফুসফুস খ্যাত ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের নির্মল প্রাকৃতিক শোভা ফিরিয়ে আনার দাবি জানানো হয়েছে। উদ্যানে নির্মাণাধীন স্বাধীনতা স্তম্ভের নির্মাণ কাজ দ্রুত শেষ করার সঙ্গে সঙ্গে এখান থেকে অবৈধ গলফ কোর্সসহ সকল দখলদারিত্ব উচ্ছেদ করারও জোর দাবি জানানো হয়। গতকাল কমরেড মণি সিংহ-ফরহাদ ট্রাস্ট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের সোহরাওয়ার্দী উদ্যান পরিদর্শন প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত লেখক কলামিষ্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সঙ্গে আমাদের স্বাধীনতা ও সংস্কৃতির সম্পর্ক রয়েছে। যে কারণে একটি হাই পাওয়ার কমিটি করে সরকারের উচিত এর দখলদারিত্ব মুক্ত করে সুষ্ঠুভাবে রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা করা। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. আব্দুল মতিন প্রতিবেদন উপস্থাপনকালে বলেন, সরকারি অবহেলা-উদাসীনতা এবং কতিপয় স্বার্থান্বেষী মহলের দখলবিলাস ও বিত্তবাসনার কারণে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যান আজ দখল-দূষণে বিপর্যস্ত ও এক বৃহত্ ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। অবিলম্বে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান দখল-দূষণমুক্ত করুন। প্রতিবেদনে উদ্যানের ভেতরে অবস্থিত ‘রমনা কালী মন্দির’-এর স্থান নির্দিষ্ট করে এর সংলগ্ন অন্যান্য অবৈধ স্থাপনা এবং টিএসসি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের গেটের বিপরীতে অবস্থিত সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সীমানার অভ্যন্তরের সকল অবৈধ স্থাপনা ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান অবিলম্বে উচ্ছেদ করে উদ্যোনের ভেঙে ফেলা সীমানা প্রাচীর পুনঃনির্মাণের দাবি জানানো হয়।