প্র জ ন্ম মু খ

স্বপ্নের সমান বড়

আপডেট : ০৭ জুলাই ২০১৩, ২০:০৫
ডাকনাম :এমি জন্মতারিখ ও স্থান :২৮ আগস্ট, ঢাকা মায়ের নাম :মর্জিনা হক বাবার নাম :মো. সিরাজুল হক প্রথম স্কুল :মগবাজার স্কুল প্রিয় মানুষ :আহসান খান (স্বামী) প্রিয় পোশাক :শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ সাফল্যের সংজ্ঞা :প্রথমে লক্ষ নির্ধারণ করতে হবে, এরপর সেই পথে এগিয়ে যেতে হবে যতক্ষণ না গন্তব্য পাওয়া যায়। খুলনা ইউনিভার্সিটি থেকে ২০০০ সালে ডিসেম্বরে বিবিএ শেষ করার পরই ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি হিসেবে এমজিএইচ গ্রুপে জয়েন করেন। এরপর কাজ করার সুযোগ হয় ধ্রুব অ্যাডভার্টাইজিং ও গেটকো ক্যাটারপিলার, প্রতিষ্ঠান দুটির সাথে। তবে অল্প সময় থাকা হয়েছিল সেখানে। ২০০১ সালের ১৫ মে তিনি গ্রামীণফোনের কাস্টমার সার্ভিসে অফিসার হিসেবে জয়েন করেন। এরপর নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি থেকে হিউম্যান রিসোর্স ও মার্কেটিংয়ে মেজর করেন। তবে তার সবসময়ই আগ্রহ ছিল এইচআর হিসেবে কাজ করার। ২০০৫ সালে তিনি গ্রামীণফোনে এইচআর সেকসনে চলে আসেন। দীর্ঘ আট বছর যাবত সেখানে কাজ করছেন। বলছিলাম এই প্রজন্মের মেধাবীজন গ্রামীণফোনের এইচআর সেকশনের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার রুমানা হক সম্পর্কে। তার শৈশব কেটেছে ঢাকা ও খুলনা, দুই জায়গাতেই। বাবা ছিলেন সরকারি কর্মচারী। দুই বোনের মধ্যে রুমানাই ছোট। খুব ছোটবেলা থেকেই তার বাবা-মা তাকে স্বাবলম্বী হওয়ার প্রেরণা দিতেন। তারা দু’জনেই আজ আর নেই, কিন্তু তারা সবসময়ই তার অনুপ্রেরণার জায়গাজুড়ে রয়েছেন। বর্তমানে স্বামীকে নিয়েই তার ছোট পরিবার, যিনি নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করছেন। তিনিও তার ক্যারিয়ার নিয়ে সবসময় উত্সাহ দেন। তার কাজ সম্পর্কে জানতে চাইলে রুমানা হক বলেন, ‘আমার কাজের কথা বলতে, আমি বর্তমানে হেড সর্ভিস সেন্টারে ২১ জনের একটি টিমের হেড হিসেবে কাজ করছি। আমার কাজের ভেতর রয়েছে, এইচআর সার্ভিস, এমপ্লয় কন্টাক্ট সেন্টার, হেলথ ফ্যাসিলিটিস, রিপোর্টিং এবং এইচআর এমআইএস।’ নিজের স্বাচ্ছন্দ্যবোধের কথা জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘এই পেশায় কাজ করতে আমি বেশ স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। এইচআর হিসেবে সব কর্মচারীদের সাথে মেলামেশার সুযোগ পাওয়া যায়। এটা আমাকে কাজের অনুপ্রেরণা দেয়। পাশাপাশি গ্রামীণফোন এমন একটি প্রতিষ্ঠান যেখানে সবার সাথে মিলেমিশে কাজ করার সুযোগ রয়েছে।’ নতুনদের কাজের মূল্যায়নে তিনি বলেন, ‘নতুনরা বেশ ভালোই কাজ করছে। তারা খুবই ইনফরমেটিভ, নতুন প্রযুক্তি ও চলতি ট্রেন্ডের ব্যাপারে ভালোই জানা আছে তাদের। তারা হাইলি এনারজেটিক এবং একই সাথে ক্রিয়েটিভ। নতুন সব আইডিয়া নিয়ে কাজেও তারা নতুনত্ব নিয়ে আসছে। নতুনদের জন্য আমার পরামর্শ হলো, প্রথমেই তাদের নিজের উপর আস্থা আনতে হবে। সেই সাথে তাদের লক্ষ্যের দিকে দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। নিজেকে সব ধরনের পরিবেশের সাথে মানিয়ে কাজ করার মানসিকতাও থাকতে হবে।’ সবশেষে তার ভবিষ্যত্ স্বপ্নের কথা জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার ভবিষ্যত্ লক্ষ্য বলতে আমি একজন এইচআর প্রফেশনাল হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। পাশাপাশি ফিমেল লিডারশিপ বিজনেসের পরিধি বাড়াতে চাই, যাতে আরও বেশি মেয়েরা এই কাজে এসে নিজেদের ক্যারিয়ার গড়ে নিতে পারে।’