চলতি অর্থবছরে রফতানি ভর্তুকি পাবে ১৪টি খাত

আপডেট : ০৭ জুলাই ২০১৩, ২৩:০৩
দেশের রফতানি বাণিজ্য উত্সাহিত করতে চলতি অর্থবছরেও রফতানির জন্য জাহাজীকৃত পণ্যের মূল্যের ওপর বিভিন্ন হারে নগদ সহায়তা পাবে ১৪টি খাত। গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক নীতি বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ রফতানির বিপরীতে ভর্তুকি ও নগদ সহায়তার কথা বলা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জাহাজীকৃত পণ্যের মূল্যের বিপরীতে রফতানি ভর্তুকি বা নগদ সহায়তা পরিশোধ্য হবে। এবছর সবচেয়ে বেশি রফতানি ভর্তুকি পাওয়া যাবে কৃষিপণ্য (শাক-সবজি/ফলমূল) ও প্রক্রিয়াজাত (এগ্রোপ্রসেসিং) কৃষিপণ্য, আলু এবং শতভাগ হালাল মাংসের। এ তিন খাতে রফতানির বিপরীতে ২০ শতাংশ হারে ভর্তুকি মিলবে। এরপর হোগলা, খড়, আখের ছোবড়া ইত্যাদি দিয়ে হাতের তৈরি পণ্য রফতানি করলে তার বিপরীতে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ এবং চামড়াজাত দ্রব্যাদি ও হাড়ের গুঁড়া রফতানির বিপরীতে ১৫ শতাংশ ভর্তুকি পাবেন রফতানিকারকরা। রফতানির বিপরীতে ১০ শতাংশ ভর্তুকি পাওয়া যাবে হাল্কা প্রকৌশল পণ্য, পেট বোতল-ফ্লেক্স ও পাটজাত চূড়ান্ত দ্রব্য (পাট সুতা ব্যতীত) রফতানি করে। পাট সুতা ও হিমায়িত চিংড়ি রফতানি করে সাড়ে সাত শতাংশ ভর্তুকি পাওয়া যাবে। এছাড়া রফতানিমুখী দেশীয় বস্ত্রখাত, বস্ত্রখাতের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের অতিরিক্ত সুবিধা (প্রচলিত নিয়মের) এবং জাহাজ রফতানি করে পাঁচ শতাংশ নগদ সহায়তা বা ভর্তুকি পাবে রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান। আর যেকোনো নতুন পণ্য রফতানি করলেই পাওয়া যাবে ২ শতাংশ হারে নগদ সহায়তা। এছাড়া যেকোন পণ্য নতুন দেশে (আমেরিকা, কানাডা ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন বাদে) রফতানি করলেও একই হারে ভর্তুকি পাওয়া যাবে। রফতানি ভর্তুকি বা নগদ সহায়তা প্রদান সংক্রান্ত সকল এফ,ই প্রজ্ঞাপন ও প্রজ্ঞাপনের প্রযোজ্য অপরাপর শর্তাবলী যথারীতি অপরিবর্তিত থাকবে বলে গতকালের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।