বিশেষজ্ঞ পরামর্শ

আপডেট : ০৮ জুলাই ২০১৩, ১৯:১০
তামান্না চৌধুরী প্রধান পুষ্টিবিদ, এ্যাপোলো হসপিটাল, ঢাকা পবিত্র রমজানে আমাদের স্বাভাবিক জীবন যাপনের বেশকিছু পরিবর্তন ঘটে। আর সব থেকে বড় পরিবর্তন হয় খাবারের ক্ষেত্রে। এ সময় আমরা অনেকেই শারীরিক সমস্যার মুখোমুখি হই। তবে একটু সাবধান হয়ে বুঝে চললে এই সমস্যা কাটিয়ে রোজা রাখতে পারব। রোজা রাখা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়, রমজানে চাই স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবার। রোজার মাসে খাবার সাধারণত তিনবার খাওয়া হয়। নিয়ম করে সব ধরনের খাবারই খেতে হবে। যেন শরীর পুষ্টিকর খাবারের অভাবে দুর্বল না হয়। যেমন :ইফতারিতে দু-একটা খেজুর, শরবত এবং টাটকা ফল খাওয়া শরীরের জন্য ভালো। সঙ্গে চাইলে ঘরে তৈরি নুডুলসসহ মুখরোচক খাবার থাকতে পারে। সন্ধ্যা রাতের খাবারে অল্প ভাত বা রুটি, প্রচুর সবজি, দু-এক টুকরা মাছ বা মাংস, দুধ ও ফল খেতে হবে। ইফতার ও ঘুমানোর মাঝের সময়ে প্রচুর পানি পান করতে হবে। সেহরিতে স্বাভাবিক খাবারের সাথে দই, দুধ, ফল খেতে হবে। মাহফুজা মোবারক প্রভাষক, পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় রমজানের সময়টা অন্য সব সময় থেকে আলাদা। এর পুরো মাস জুড়েই রয়েছে সংযমের শিক্ষা। রমজানে অবশ্যই কিছু নির্দিষ্ট ডায়েট প্ল্যান থাকা উচিত। একদিন কিংবা দুদিন পরপর ডায়েট প্ল্যানে ভিন্নতা রাখলে রুচিতেও অসুবিধা হয় না। তাই ইফতারে ফল, সালাদ, ফলের রস, ইশফগুলের ভুষি, হজমের সমস্যা না হলে একটু কাঁচা ছোলা, মাঝে মধ্যে বেগুনি, পেঁয়াজু, নরম খিচুড়ি খাওয়া ভালো। আর সেহরিতে স্বাভাবিক খাবারের সাথে ঠাণ্ডা জাতীয় খাবার দই, শরবত খেলে ডায়েট ভালো হয়। আর রোজার দিনে পানি শূন্যতা কাটিয়ে উঠতে ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত একটু পর পর পানি ও শরবত খেতে হবে।