ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলা সদরের ভুবনেশ্বর নদীর মাটি ও বালু তুলে নিয়ে ব্যক্তিগত সম্পত্তি ভরাট করা হচ্ছে। নদী থেকে এভাবে বালু ও মাটি তুলে নেয়ায় কোটি টাকার সেতু এবং ভাষানচর ইউনিয়নের কিছু বাড়ি ও স্থাপনা হুমকির মুখে পড়েছে।
জানা গেছে, সদরপুর বাজারের স্টেডিয়াম মাঠ সংলগ্ন নতুন মাইক্রোস্ট্যান্ড ভরাট ও বিশ্ব জাকের মঞ্জিল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠের কিছু অংশ ভরাটের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনুমতি দিয়েছেন। সেই অনুমতির সুযোগে দু’জন ড্রেজার মালিক কিছু সংখ্যক ভূমিখোরের মাধ্যমে মাসের পর মাস বালু কেটে নিচু জমি ভরাট করে আবাসিক প্লট তৈরি করছে। ভরাট করা ওই জমিতে প্লট বিক্রির সাইনবোড টানিয়েছে।
নগরকান্দা (ফরিদপুর) সংবাদদাতা জানান, উপজেলা সদর বাজার সংলগ্ন মাঠিয়াদিয়া নদীতে ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবাধে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে একটি প্রভাবশালী মহল। ফরিদপুর-সালথা মেইন সড়কের উপর নির্মিত প্রায় ৩০ মিটার দীর্ঘ আর সি সি ব্রিজের পাশে মাঠিয়াদিয়া নদের মধ্যে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। ফলে ব্রীজটি ঝুঁকির মুখে রয়েছে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী ও বাজারের ব্যবসায়ীরা। সরকার দলের প্রভাবশালীরা রাস্তা তৈরির নামে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার বিষয়টি নিয়ে কেউ মুখ খুলতে চাচ্ছে না। জানা গেছে, চলিত অর্থ বছরের এমপি কোঠা থেকে বরাদ্দ থাকা ২০ মে. টন বিশেষ কাবিখা দিয়ে শ্রমিকের মাধ্যমে মাটি কেটে রাস্তার কাজ সম্পন্ন করার কথা থাকলেও ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে পুরো কাজ ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু ভরাট করানো হচ্ছে।
