নাসিরুদ্দিন হোজ্জার বাড়িতে তার কিছু বন্ধু এসেছেন। অতিথিদের তরমুজ দিয়ে আপ্যায়ন করলেন হোজ্জা। বন্ধুদের সঙ্গে খেতে বসলেন হোজ্জা নিজেও। হোজ্জার পাশেই বসেছিলেন তাঁর এক দুষ্টু বন্ধু। তরমুজ খেয়ে খেয়ে বন্ধুটি হোজ্জার সামনে তরমুজের খোসা রাখছিলেন। খাওয়া শেষে দেখা গেল, হোজ্জার সামনে তরমুজের খোসার স্তূপ।
দুষ্টু বন্ধুটি অন্যদের বললেন, ‘দেখেছেন কাণ্ড? হোজ্জা কেমন পেটুক? তার সামনে তরমুজের খোসার স্তূপ হয়ে গেছে’!
হোজ্জা হেসে বললেন, ‘আর আমার বন্ধুটির সামনে দেখছি একটা খোসাও নেই! উনি খোসাশুদ্ধ খেয়েছেন! এখন আপনারাই বলুন, কে বেশি পেটুক!’
ব্যাংকে চাকরির জন্য আবেদন করেছে জসিম। তাকে পরীক্ষা করার জন্য ব্যাংকের বড় কর্তা একটা ছোট্ট কাজ দিলেন। বললেন, ‘কবির সাহেব আমাদের ব্যাংক থেকে মোটা অঙ্কের টাকা ঋণ নিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে আমরা তার পেছনে লেগে আছি, কিন্তু তিনি আমাদের টাকা পরিশোধ করছেন না। পারো তো তার কাছ থেকে আমাদের পাওনা টাকা উদ্ধার করে নিয়ে এসো।’
পরদিনই পুরো পাওনা টাকা উদ্ধার করে হাজির জসিম। বড় কর্তার চক্ষু তো ছানাবড়া! কর্তা বললেন, ‘আশ্চর্য! আমরা এত দিন ধরে পারলাম না, আর তুমি এক দিনেই টাকা তুলে ফেললে! কীভাবে পারলে?’
জসিম বলল, ‘সহজ! তাকে বললাম, হয় আপনি আমাদের টাকা পরিশোধ করুন, নয়তো আপনার সব পাওনাদারের কাছে গিয়ে বলব, আপনি আমাদের টাকা পরিশোধ করে দিয়েছেন!’
সর্দারজি ট্রাফিক পুলিশের চাকরি নিয়েছেন। এক চালককে মাঝপথে আটক করলেন তিনি।
সর্দারজি :এই! তোমার হেলমেট কোথায়?
চালক :আরে বেকুব, ভালো করে দেখো।
সর্দারজি :ভালো করে দেখব আবার কী? স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি তুমি হেলমেট পরোনি।
চালক :ওপরে নয়, নিচে দেখো। এটা দুই চাকা নয়, চার চাকার গাড়ি। গর্দভ!
