পাকিস্তানের মাটিতে লাদেনকে হত্যা যুদ্ধের শামিল

আপডেট : ১০ জুলাই ২০১৩, ২১:১৭
আল-কায়েদা প্রধান ওসামা বিন লাদেনকে পাকিস্তানের মাটিতে হত্যার জন্য এককভাবে নেয়া যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তকে যুদ্ধের শামিল বলে মন্তব্য করেছে পাকিস্তানি সরকার কর্তৃক গঠিত একটি তদন্ত কমিশন। আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। ২০১১ সালের ২ মে পাকিস্তানের সামরিক শহর অ্যাবোটাবাদে সামরিক অভিযান চালিয়ে বিন লাদেনকে হত্যা করে মার্কিন বাহিনী। এ ঘটনায় বিব্রত পাকিস্তান সরকার অভিযানের দু’মাস পর ঘটনার বিস্তারিত অনুসন্ধানে অ্যাবোটাবাদ কমিশন গঠন করে। ছয় মাস আগে অনুসন্ধান শেষ করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয় কমিশন। কিন্তু পাকিস্তান সরকার প্রতিবেদনটি প্রকাশ না করে চাপা দিয়ে রাখে। সেই প্রতিবেদনের ফাঁস হওয়া একটি কপি আল জাজিরার হাতে পৌঁছলে প্রায় পুরো প্রতিবেদনটি সোমবার প্রকাশ করে সংবাদ মাধ্যমটি। এর কয়েক ঘন্টার মধ্যেই পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ দেশটিতে আল জাজিরার ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়। প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, লাদেন আফগানিস্তানের তোরাবোরা পর্বতে মার্কিন হামলা থেকে রক্ষা পাওয়ার পর ২০০২ সালের মাঝামাঝি পাকিস্তানে প্রবেশ করেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, অদক্ষতার কারণেই লাদেনকে পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনী ধরতে পারেনি। প্রতিবেদনে পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর তত্পরতা বন্ধ করতে না পারার ব্যর্থতার জন্য পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের তিরস্কার করা হয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের তত্পরতাকে অবৈধ ও অনৈতিক বলে চিহ্নিত করা হয়।