ভালো কাজের জন্য পুরস্কার ইসিতে

আপডেট : ১৩ মে ২০১৯, ০০:২০

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ভালো কাজের জন্য দেড় শতাধিক কর্মকর্তাকে পুরস্কৃত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর মধ্যে উপ-সচিব এবং সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে ইসি সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতি বঞ্চিত এসব কর্মকর্তারা হঠাত্ নির্বাচনের পর পদোন্নতি পেয়ে বেশ আনন্দিত।  এ বিষয়ে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ ইত্তেফাককে বলেন, ইসির কর্মকর্তাদের বাইরে পদায়ন করা হয় না। স্বল্প সংখ্যক কর্মকর্তারা পদোন্নতি পেয়ে থাকেন। এ জন্য বিভিন্ন শূন্য পদের বিপরীতে তাদের পদায়ন করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে এবং জনপ্রশাসন ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে কর্মকর্তাদের কর্মোদ্দীপনা বাড়বে।

গত ৫ মে ইসির সহকারী সচিব মোহাম্মদ শহিদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে ইসি সচিবালয় ও মাঠ পর্যায়ের সহকারী সচিব, সহকারী পরিচালক/উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা পর্যায়ে কর্মরত ১০৫ জনকে সিনিয়র সহকারী সচিব/জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা/ উপ-পরিচালক পদে পদোন্নতি দিয়ে চলতি দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। একইভাবে ২৫ এপ্রিল অনুরূপ আরেকটি আদেশে সিনিয়র সহকারী সচিব/জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা/ উপ-পরিচালক পদে কর্মরত আরো ৪৫ জন কর্মকর্তাকে উপ-সচিব, সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা/পরিচালক পদে চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দুই দফা দেড় শতাধিক কর্মকর্তা পদোন্নতি পেয়েছেন। এর আগে ইসি সচিবালয়ের আরো বেশ কয়েকজনকে যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়। এ বিষয়ে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বাস্তবে গ্রেড পরিবর্তন না হলেও প্রতিটি পদের জন্য অতিরিক্ত দায়িত্ব ভাতা পাবেন।

উল্লেখ্য, ২০০৫ সালের আজিজ কমিশনের সময় ৩২৭ জন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়। পাবলিক সার্ভিস কমিশন তাদের নিয়োগ পরীক্ষা নেয়।

পরবর্তীতে তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলে আওয়ামী লীগ। ২০০৭ সালের মে মাসে সেনা সমর্থিত সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়কার এটিএম শামসুল হুদার কমিশন? ওই কর্মকর্তাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (আইবিএ) মাধ্যমে আবারো পরীক্ষা নেয়।

সে পরীক্ষায় ৮৫ জন কর্মকর্তা অনুত্তীর্ণ হলে তাদের অব্যহতি দেওয়া হয়। তবে তারা আদালতের নির্দেশে আবারো চাকরিতে যোগ দেন। বর্তমানে তাদের অনেকে সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার পদেও পদোন্নতি পেয়েছেন।