পশ্চিমের ৭ জেলায় বৈরী আবহাওয়ার কারণে এ বছর ক্ষেতে মরিচ কম ধরছে। এ কারণে সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাজারে মরিচের আকাল দেখা দিয়েছে। দামও হুহু করে চড়ে গেছে।
মেহেরপুরের উজলপুর গ্রামের চাষি বাবলু মিয়া জানান, তাদের এলাকায় ক্ষেতে মরিচ গাছ মারা যাচ্ছে এবং গাছে মরিচও খুব কম ধরছে। বৃষ্ট্পািত কম হওয়াতে এমন অবস্থা হয়েছে বলে তিনি জানান। তাদের এলাকায় বুধবার প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ পাইকারি একশ’ টাকা দরে বিক্রি হয়। বৃষ্টি হলে উত্পাদন বাড়বে বলে তিনি জানান। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার খাজুরা গ্রামের চাষি করম আলি এবার দেড় বিঘা জমিতে মরিচ চাষ করেছেন। তিনি বলেন, বৃষ্টি কম হওয়ায় গাছে মরিচ ধরছে না। বৃষ্টি হলে মরিচ ধরা শুরু করবে। তখন দাম কমে আসবে বলে তিনি জানান। বুধবার ঝিনাইদহ পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ একশ’ ৪০ টাকা দরে বিক্রি হয় বলে তিনি জানান। ঝিনাইদহের পাঁচ টিকারি গ্রামের মাঠে প্রায় তিনশ’ একরে মরিচ চাষ হয়েছে। মাঠ ঘুরে দেখা যায়, স্বল্প সংখ্যক গাছে ফল ধরছে।
মাগুরার উপ-সহকারী কৃষি অফিসার আব্দুর রশিদ জানান, মরিচ গাছে পোকা-মাকড়ের আক্রমণে ফলন কমে গেছে। এ জন্য বাজারে কাঁচা মরিচের সরবরাহ হ্রাস পেয়েছে। এ ছাড়াও বৈরী আবহাওয়ার কারণে গাছে ফুল ফল কম ধরছে। যশোর সদর উপজেলার হৈবতপুর গ্রামের সবজি চাষি ইজাজুল ইসলাম জানান, নতুন গাছে বৃষ্টি কম হওয়াতে ফুল ফল ধরছে না। কাঁচা মরিচের খুচরা দামও বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন। গতকাল বৃহস্পতিবার বেনাপোল খুচরা বাজারে প্রতি কেজি একশ’ ৮০ টাকা, ঝিনাইদহে একশ’ ৬০ টাকা ও কুষ্টিয়াতে একশ’ ৮০ টাকা দরে বিক্রি হয়। সুযোগ বুঝে খুচরা ব্যবসায়ীরা দাম বেশি মাত্রায় চড়িয়ে দিয়েছে।
