ধূমপানটা ছাড়তেই হবে

আপডেট : ১২ জুলাই ২০১৩, ১৭:০৭
ধূমপানের ক্ষতিকর দিকটা নিয়ে নতুন করে বলবার মতো তেমন আর কিছু অজানা নেই কারও। সিগারেটের ভেতরে সংরক্ষিত নিকোটিন এমন একটি দ্রব্য, যা একজন স্মোকারকে ধীরে ধীরে সিগারেটের ওপর নির্ভরশীল করে তোলে। তরুণদের মধ্যে ধূমপানের ফলে অল্পতেই যেকোনো বিষয়ে হতাশা কাজ করে। বয়সের আগেই চেহারাতে বয়স্কের বলিরেখা দেখা যায়। ঠোঁট কালো, দাঁত হলদে হওয়ার ফলে ধূমপান আপনার তারুণ্যের সতেজ চেহারাটাও ম্লান করে রাখে। তা ছাড়া মুখের দুর্গন্ধ আর অন্যের নাকে অসহ্য আপনার দুর্গন্ধযুক্ত নিঃশ্বাস তো থাকছেই। তাই উচিত ধূমপানমুক্ত থাকা। জানি চাইলেই কেউ ধূমপান ত্যাগ করতে পারবেন না। সত্যিকথা বলতে গেলে, ধূমপান একেবারে ছেড়ে দেওয়ার জিনিস নয়। তার জন্যে প্রথমেই প্রয়োজন আপনার প্রতিশ্রুতিশীল একটা ইচ্ছা। তারপর ধারাবাহিকভাবে চেষ্টা করে যাওয়া। একটা সময় দেখবেন ঠিকই আপনি ধূমপানমুক্ত। নিচে ধূমপান ত্যাগের জন্য আপনি যা করতে পারেন তা উল্লেখ করা হলো। ধূমপান ত্যাগে করণীয় ধূমপান ত্যাগের ইচ্ছে করা। নিজের সাথে নিজের প্রমিজ করা। খুচরা টাকা-পয়সা সাথে না রাখা। যখন সিগারেট খেতে ইচ্ছে করবে, তখনই একটা চকলেট কিংবা চুইয়িংগাম মুখে নিন। চকলেট আপনার অভ্যাস পরিবর্তন করতে এবং টেনশন কমাতে কাজ করবে। স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী খাদ্য বেশি গ্রহণ করুন। প্রয়োজনে চা পানের অভ্যেসও গড়ে তুলতে পারেন। চা পান ধূমপান ত্যাগ করতে বেশ কার্যকরী। কাউকে স্মোক করতে দেখলে যদি আপনারও ইচ্ছে করে, তবে চেষ্টা করুন মনটাকে ডাইভার্ট করতে। উপরোক্ত টিপসগুলো মেনে চললে ধূমপানমুক্ত হাস্যোজ্জ্বল আর প্রাণবন্ত একজন তরুণ হয়ে উঠতে পারেন আপনি। তাতে নিজেও ভালো থাকবেন শারীরিক ও মানসিক দিক থেকে পাশাপাশি ভালো থাকবে আপনার আশপাশের লোকজন এবং পরিবেশ।