প ড়া র ব ই
আমেরিকা রাইট অর রং
লেখক :আনাতল লিভেন
প্রকাশক :অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস
বইয়ের কথা :প্রথমে এটি আমেরিকা থেকে প্রকাশিত হলেও পরে ব্রিটেনেও প্রকাশ পায়। তবে বইটি সার্বিকভাবে আমেরিকার জাতীয়তাবাদকেই তুলে ধরেছে, বা এর ব্যাখ্যা দাঁড় করিয়েছে। প্রসঙ্গক্রমে লেখক ওসামা বিন লাদেন কর্তৃক সেই ৯/১১-এর বিষয়টিও উত্থাপন করেছেন। আমেরিকার মধ্যম মানের অসংখ্য মানুষের জীবনে এটি অর্থনৈতিকভাবে এবং কাজের ব্যাপারে যে সমস্যা তৈরি করেছিল, তা-ও উল্লেখ করা হয়েছে।
কেন পড়বেন :আমেরিকা নামের পরাক্রমশালী দেশটাকে অনুপুঙ্খভাবে জানতে এবং অনুধাবন করতে বইটি সহায়ক। আমেরিকার প্রচলিত মিথ, ঐতিহ্য এবং সাংস্কৃতিক আদর্শ জানতে হলে এটি আপনাকে পড়তেই হবে।
দে খা র ছ বি
শ্যন অব দ্য ডেড
ছবির কথা :দুর্দান্ত কমেডি হরর। ‘রেসিডেন্ট ইভিল’ মুভির মতো জীবন্মৃত মানুষ-ভূতের কামড় থেকে বাঁচার মুভি। মুভির মূল চরিত্র শ্যনের দিনকাল একদমই ভালো যাচ্ছিল না। বোরিং কাজ, গার্লফ্রেন্ডের সাথে ঝগড়া আর চূড়ান্ত অলস বেস্ট ফ্রেন্ডকে নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছিল দিন। কিন্তু কোনো এক সকালে এলোমেলো হয়ে যায় সবকিছু। লন্ডন শহরের অলিতে-গলিতে নেমে পড়ে শত শত মাংসখেকো ভূত। তাদের মরণকামড় থেকে শ্যন কি নিজেকে বাঁচাতে পারবে?
কেন দেখবেন :রম্যনির্ভর ছবিগুলোতে বারবারই অযথা হাসানোর যে প্রতিযোগিতা থাকে, এখানে তেমনটা নেই। হাস্যরসের মধ্য দিয়ে ফুটে ওঠে যেন বাস্তবেরই এক রূপ। আর অভিনেতাদের পারফর্মেন্সও কিন্তু এখানে দারুণ বলতে হবে।
গুণীজন
টমাস আলভা এডিসন
টমাস আলভা এডিসন ১৮৪৭ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ওহিও, মিলানে জন্ম গ্রহণ করেন। একাধারে উদ্ভাবক, বিজ্ঞানী এবং উদ্যোক্তা ছিলেন তিনি। তার আবিষ্কারেই প্রথম আলোকিত হয়েছিল গোটা পৃথিবী। বৈদ্যুতিক বাতি, ফনোগ্রাফ, মাইক্রোফোন, ভিডিও ক্যামেরা, ফ্লুরোস্কোপসহ আরও হাজারো আবিষ্কারের জনক তিনি। প্রথম বাণিজ্যিক গবেষণামূলক পরীক্ষাগার নির্মাণের কৃতিত্বও তার। কেবল যুক্তরাষ্ট্রেই তার পেটেন্ট সংখ্যা হাজারের বেশি। টমাস এডিসনকে শুধু একজন উদ্ভাবক বললে তাকে খাটো করা হয়। তিনি ছিলেন একজন বিপণনপটু ব্যক্তিত্ব। তিনি তার উদ্ভাবিত জিনিসগুলোর বাজার তৈরি করেছেন পৃথিবীময়। তৈরি করেছেন এগুলোর চাহিদা। হালের স্টিভ জবস কিন্তু হেঁটেছিলেন টমাস এডিসনের দেখিয়ে দেওয়া পথেই।
কে না কা টা
আরামের জুতা
যুগে যুগে মানুষের রুচি যেমন পাল্টেছে তেমনি ডিজাইনে এসেছে ভিন্নতা। দৈনন্দিন কাজকর্মে চলাফেরায় অনেক বেশি স্বাচ্ছন্দ্য এবং আরাম পেতে কেডস্ কিংবা স্নিকার আর পাতলা চপ্পল জুতাই বেছে নিচ্ছেন সবাই।পাতলা চপ্পলের আকর্ষণটা শুরু হয়েছে এর ডিজাইনে বৈচিত্র্যময় উপাদানের ব্যবহার এবং আরামদায়ক হওয়ার কারণে। চপ্পলের সোল সাধারণত হালকা রাবারের হয়ে থাকে। আর দামটাও থাকে হাতের নাগালে। এই জুতা মেয়েদের দৈনন্দিন ব্যবহারের তালিকায় প্রথম সারিতে অবস্থান করছে। চপ্পল জুতাগুলো পাওয়া যায় ১২০ টাকা থেকে ৩৫০ টাকার মধ্যে। নিউমার্কেট, গাউসিয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন শপিং মলে পাওয়া যায় এই চপ্পল জুতা। আর আজকাল রাস্তায় যে জ্যাম থাকে গাড়িতে বসে সময় নষ্ট না করে হেঁটে গেলে বরং সময় বাঁচে। আসলেই তাই, আর এ জন্য চাই আরামদায়ক একজোড়া জুতা। এক্ষেত্রে স্নিকারের কোনো বিকল্প নেই।
তরুণকণ্ঠ নিয়ে মতামত
প্রকাশে সাহায্য নিতে
পারেন জনপ্রিয়
ওয়েবসাইট
ফেসবুকের।
তরুণকণ্ঠের বন্ধু হতে
লগ ইন করুন www.face book.com/torun.kontho
