ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ডে খুব কমই অত্যাধুনিক পেট্রোব্যারেটা পিস্তল ব্যবহার হয়। ২০০৬ সালে র্যাব-২ রাজধানীর মগবাজার এলাকায় এক সন্ত্রাসীর কাছ থেকে এই পিস্তল উদ্ধার করেছিল। দীর্ঘ সময় পর বৃহস্পতিবার সকালে যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইল থেকে পেট্রোব্যারেটা পিস্তল ও আরো ২টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ তিন সন্ত্রাসীকে র্যাব গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন—সাজেদুল ইসলাম ওরফে বকুল (৪২), সাগর (১৮) ও ইমন হোসেন (৩৪)। তাদের কাছ থেকে ইটালির তৈরি ১টি পেট্রোব্যারেটা পিস্তল, স্পেনের তৈরি ১টি আস্ত্রা আনসিটা পিস্তল, ইউএসএ’র তৈরি একটি রিভলবার ও এই তিনটি আগ্নেয়াস্ত্রের ৯২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। এরপর গ্রেফতার হওয়া বকুলের দেয়া তথ্য অনুযায়ী র্যাব যাত্রাবাড়ীতে তার বাসা থেকে ৪টি ম্যাগজিন, ২টি ছুরি, ১টি চাপাতি, ১১টি চাকু ও ২টি দা উদ্ধার করে।
র্যাব-১০ এর সিনিয়র এএসপি ফজলে খোদা জানান, বকুল আগে ডাকাত শহীদের যাত্রাবাড়ী এলাকার কমান্ডার হিসাবে কাজ করতেন। র্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ডাকাত শহীদ নিহত হওয়ার পর বকুল যাত্রাবাড়ীর পিন্টু বাহিনীর সেকেন্ড-ইন-কমান্ড হিসাবে যোগ দেয়। মাতুয়াইল কবরস্থানের সামনে থেকে বকুল, সাগর ও ইমনকে গ্রেফতার করা হয়। এদের মধ্যে বকুলের কোমর থেকে পেট্রোব্যারেটা ও আস্ত্রা আনসিটা পিস্তল দুটি উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া ইমনের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় স্মিথ উইসন কোম্পানির তৈরি রিভলবার। যাত্রাবাড়ী এলাকার অন্যতম শীর্ষ সন্ত্রাসী বকুলের বিরুদ্ধে ৩টি হত্যা মামলা রয়েছে। এর আগে জাল টাকা ও একটি রিভলবারসহ বকুল একবার গ্রেফতারও হয়েছিল।
